স্পোর্টস ডেস্ক : রবীন্দ্র জাদেজার বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে দুর্বল শট খেলেন লিটন। সীমানার অনেকটা আগেই তিনি ধরা পড়েন শুভমান গিলের হাতে। ৮২ বলে ৬৬ রান করেন বাংলাদেশ ওপেনার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে আউট হয়েছিলেন তিনি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। ৫ রান নিয়ে তাওহীদ হৃদয় ও ২ রান নিয়ে ক্রিজে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম।
বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) পুনেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। এদিন শুরুতে দারুণ সাবধানী ব্যাটিং করছিল টাইগাররা। একের পর এক ডট বল দিচ্ছিলেন লিটন। প্রথম রানটা করতেই ১৪ বল খেলেন তিনি। বুমরাহ ও সিরাজের বলগুলো সামলাতে একটু ভুগছিলেনই বাংলাদেশের দুই ওপেনার।
কয়েক ওভার পর খোলস ছাড়তে থাকেন দু ওপেনারই। দারুণ সব শট খেলতে থাকেন। এরই মধ্যে নবম ওভারে চোট পান বল করতে আসা হার্দিক পান্ডিয়া। সে ওভারের বাকি বলগুলো করেন বিরাট কোহলি। পার্টটাইমার কোহলির সেই তিনবল অবশ্য নিরাপদেই ব্যাট করেছেন দুই টাইগার ব্যাটার। পাওয়ার প্লেটা দারুণ কাটায় বাংলাদেশ। কোনো উইকেট না হারিয়েই সংগ্রহ করে ৬৩ রান।
এরপর আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেন তামিম। ভারতীয় বোলারদের পিটিয়ে নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি আদায় করে নেন। তাও আবার ১২০-এর বেশি স্ট্রাইকরেটে। শার্দুল ঠাকুরের বলে এক রান নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। যদিও এরপরই আউট হয়েছেন কুলদীপ যাদবের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে। ৪৩ বলে তিনি করেন ৫১ রান। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছয়ের মার।
লিটনের সঙ্গে তামিমের জুটি হয় ৯৩ রানের। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং জুটি। ২৪ বছর আগে ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিলো ৬৯। নর্দাম্পটনে পাকিস্তানের বিপক্ষে যা করেছিলেন মেহরাব অপি ও শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ।
ওয়ানডাউনে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। খুব বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। ১৭ বলে ৮ করে রবীন্দ্র জাদেজার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ১৩ বলে ৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মোহাম্মদ সিরাজের বলে লোকেশ রাহুলের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
কিউএনবি/আয়শা/১৯ অক্টোবর ২০২৩,/বিকাল ৫:৪০