স্পোর্টস ডেস্ক : তামিম ইকবালের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না থাকা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বিসিবির পরিচালক ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি জানিয়েছেন, চোটজনিত অস্বস্তিতে ভুগছেন তামিম। তিনি জানান, তামিম তাকে বলেছে, ব্যথা নিয়ে খেলতে কষ্ট হয়, তার আরও ইনজেকশন নিতে হতে পারে।
অর্ধেক ফিট খেলোয়াড় নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এমন খবর এসেছে মিডিয়ায়। কিন্তু আসলে কী তাই? তামিমের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে নানা কথার মাঝেই মুখ খুললেন সুজনও। জানিয়েছেন বিপিএলের ড্রাফটের সময় তামিমের সঙ্গে নিজের কথোপকথনের কথা।
কদিন আগেই বিপিএলের প্লেয়ারস ড্রাফট অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্যহিত ছিলেন দুর্দান্ত ঢাকার কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও ফরচুন বরিশালের তামিম। দেশসেরা ওপেনারের সঙ্গে সেই অনুষ্ঠানে দেখা হওয়ার পর তার ইনজুরির অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন সুজন। বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশ ছাড়ার আগে গণমাধ্যমে তামিমের সঙ্গে সে আলোচনা কী আলাপ হয়েছিল তা জানান সুজন।
তিনি বলেন, ‘না, তামিমের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি (বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর)। ড্রাফটের দিনেই কথা হয়েছে। ওর ইনজুরিটা রয়েই গেছে। বলেছে, “ব্যথা করছে, যদি আমি খেলতে চাই তাহলে আমাকে ব্যথা ম্যানেজ করেই খেলতে হবে। সেটা আমি বোর্ডকে পরিষ্কার করে বলে দেবো। ও হয়ত পরবর্তীতে বোর্ড এবং নির্বাচকদের জানিয়েছে।’
তবে এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাট ও করেছেন তামিম। ফিল্ডিংও করেছেন। কিন্তু এরপর কী হয়েছে তা জানেন না সুজন। তামিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, টাইগাররা দেশ ছাড়ার পর তিনি গত কয়েকদিন তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে কথা বলবেন। তামিমের এই স্ট্যাটাসের বিশয়েও কিছু জানেন না সুজন।
তিনি বলেন, ‘সেটা আমি বলতে পারব না কী বলবে। ড্রাফটের দিন আমার সঙ্গে এতটুকুই কথা হয়েছে যে- আমার ব্যথা হচ্ছে। মাঝেমধ্যে ব্যথাটা অনেক বেশি হয়। আমি জিজ্ঞাস করলাম, পরবর্তী পদক্ষেপ কী? সে বলল, “আরেকটা ইনজেকশন নিতে হতে পারে। আমার আসলে এভাবেই যাবে। ভালো কিছু হবে না।’