শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ইয়েমেনের মোচা বন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৪ হাসানের আঘাতে শুরুতেই ‘চাপে’ অস্ট্রেলিয়া দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত? টটেনহামকে বিদায় রোমেরোর, গন্তব্য কি আতলেতিকো? ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া দাবানালে ঘরছাড়া হাজারো মানুষ ৭৫০ এরও বেশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পরিকল্পনায় ইন্দোনেশিয়া হরমুজ প্রণালীকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণার হুমকি ট্রাম্পের, জবাবে যা বললো ইরান খুঁজছিলেন এক গ্রহ, হঠাৎ বৃহস্পতির চেয়ে দ্বিগুণ বড় গ্রহের খোঁজ পেল না বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ  চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী

ধর্মীয় জীবনে মূর্খতার কুফল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : কারো প্রতি ভিত্তিহীন সংশয় পোষণ করা এবং না জেনে কারো প্রতি অপবাদ দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ। বিশেষভাবে যখন কারো ঈমানের ব্যাপারে সংশয় পোষণ করা হয়। কেননা ব্যক্তির ঈমানের ওপর তার ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের পরিণতি নির্ভর করে। এ ছাড়া ব্যক্তির ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের বহু বিষয় ঈমানের সঙ্গে জড়িত।

মূর্খতার সঙ্গে সংশয় পোষণের সম্পর্ক

কারো ঈমানের ব্যাপারে সংশয় পোষণ করা এবং বাছ-বিচার না করে কাফের আখ্যা দেওয়া খারেজি সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য। আর খারেজি সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ঐতিহাসিকরা বলেন, তাদের বেশির ভাগই ছিল মূর্খ।

মূর্খদের থেকে কেউ নিরাপদ নয়

মূর্খদের সংশয় ও মন্দ আচরণ থেকে কেউ নিরাপদ নয়।

জ্ঞানের প্রতিফলন না থাকাও মূর্খতা

জ্ঞান যদি ব্যক্তির জীবনে প্রভাব ফেলতে না পারে তবে তা মূর্খতারই নামান্তর। এটা তাঁর দ্বিন থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ হয়। উল্লিখিত হাদিসের শেষভাগে এসেছে, ‘তারপর তিনি লোকটির দিকে তাকিয়ে দেখলেন লোকটি পিঠ ফিরিয়ে চলে যাচ্ছে।

অপব্যাখ্যা মূর্খতার শামিল

দ্বিনের ব্যাপারে ভিত্তিহীন ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যাও মূর্খতার শামিল। মনগড়া ব্যাখ্যাকে ভিত্তি করেই খারেজি সম্প্রদায় বিভ্রান্তির শিকার হয়েছিল। আল্লামা কাসিম বিন সালাম খারেজিদের সম্পর্কে বলেন, ‘তারা অপব্যাখ্যার মাধ্যমে দ্বিন থেকে বের হয়ে গেছে। তারা সগিরা ও কবিরা গুনাহের কারণে মানুষকে কাফের আখ্যা দেয়।’ (আল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭৬-৭৭)

অন্যদের করণীয়

অকাট্য প্রমাণ ছাড়া মুমিন কারো ঈমান ও ইসলাম নিয়ে সংশয় পোষণ করবে না। কেননা উল্লিখিত ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ করার পরও রাসুলুল্লাহ (সা.) তার বাহ্যিক ঈমানকে গুরুত্ব দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, ‘লোকটি চলে গেলে খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, আমি কি লোকটির গর্দান উড়িয়ে দেব না? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, না; হতে পারে সে নামাজ পড়ে। খালিদ (রা.) বললেন, অনেক নামাজ আদায়কারী এমন আছে, যারা মুখে এমন এমন কথা উচ্চারণ করে, যা তাদের অন্তরে নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, আমাকে মানুষের দিল ছিদ্র করে, পেট ফেড়ে দেখতে বলা হয়নি।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৩৫১)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৫ অগাস্ট ২০২৩,/রাত ১০:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit