জগীর বাড়ির সকল প্রবাসীদের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ৬নং গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া। এতে প্রধান মেহমান ছিলেন, গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম এ মান্নান জাহাঙ্গীর। খেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ জাকির হোসেন, সমাজসেবক মোঃ জিতু সরকার, মনিন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মফিজুর রহমান শিশু, সাবেক ফুটবলার রুবেল চৌধুরী, সমাজসেবক কাউসার মিয়া, শহিদ মিয়া, হাকিম মিয়া, কালু মিয়া, মহসিন, মোজাম্মেল, দুলাল মিয়া, ফুল মিয়া, সবুজ মিয়া সহ আরো অনেকে। আতসবাজি ফোটানো ও সবাই দাড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এর মাধ্যমে খেলার শুভ উদ্বোধন করেন উপস্থিত অতিথিরা।
খেলায় প্রধান রেফারি ছিলেন সাবেক ফুটবলার মোঃ কাওসার মিয়া, সহকারী রেফারি ছিলেন, সাবেক খ্যাতিমান গোলরক্ষক মোঃ শফিক মোল্লা ও চিকিৎসক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন অবিদ। খেলায় অংশগ্রহণ করে স্থানীয় বিবাহিত দল বনাম অবিবাহিত দল। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ প্রীতি ফুটবল ফাইনাল খেলায় অবিবাহিত দলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় বিবাহিত দল। বিবাহিত দলের টিম ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ শরীফ মিয়া আর অবিবাহিত দলের টিম ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন, মোঃ নাজমুল ইসলাম মুক্তার। কর্দমাক্ত মাঠের প্রীতি ফুটবল ফাইনাল খেলাটি দেখতে শতাদিক মহিলা দর্শক সহ ফুটবল প্রেমী প্রায় অর্ধ সহস্রাদিক দর্শক মাঠে উপস্থিত থেকে খেলাটি উপভোগ করেন।
মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু ও মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় খেলার পরিচালনায় ছিলেন, নতুন বাজার পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ মোঃ নজরুল ইসলাম নজু, চাকুরীজীবি মোঃ সোহেল মিয়া, মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু, ব্যবসায়ী মোঃ পলাশ মিয়া, সমাজসেবক মোঃ রেজাউল মিয়া, মোঃ শরীর মিয়া, মোঃ শিবলী মিয়া। খেলাটি সুন্দরভাবে আয়োজন করতে জগীর বাড়ির সকল প্রবাসীরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলাকাবাসী।
এইধরনের খেলাধুলা প্রতিবছর সকলকে নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এমনটাই আশা করে উপস্থিত অতিথিরা। খেলা শেষে বাহারাইন প্রবাসী মোঃ জুলহাস মিয়ার সৌজন্যে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ও মোঃ নাজমুল ইসলাম মুক্তার এর সৌজন্যে সেরা গোলকিপারের ট্রফি প্রদান সহ রানার্সআপ ও চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন উপস্থিত অতিথিরা। এছাড়াও খেলা উপলক্ষে সবাই কে নিয়ে খাওয়ার জন্য একটি মাঝারি আকারের ষাড় গরু উপহার হিসেবে রাখা হয়।