শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীন যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপারে ঐক্যমত হয়েছে: মাহদী আমিন বাবার পর এবার মা ও তিন বোন, একা হয়ে গেলেন সিফাত এক রাতেই ইউক্রেনের ৬৬০টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার শিক্ষার্থী শূন্য ৬২১টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত ৩৯ সেকেন্ডে সব শেষ, ভেনেজুয়েলায় যা ঘটল তা কল্পনারও বাইরে আফটারশকের আতঙ্কে ভেনেজুয়েলা, ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খোঁজ হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন সম্প্রসারণের আহ্বান বাংলাদেশের চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

দাম কমেনি কিছুরই, মাছ নাগালের বাইরে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০২৩
  • ২১৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : দাম কমেনি কিছূরই। বরং সপ্তাহান্তে বাড়তি দামের তালিকায় যোগ হয়েছে কয়েক পদের সবজি ও রসুন। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমুখী কাঁচা মরিচ, আদা, আলু ও চিনির দামও অপরিবর্তিত। ভরা বর্ষায়ও কমেনি মাছের দাম। বরং তা আরও বেড়েছে। মাছ চলে গেছে সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। আজ শুক্রবার (২১ জুলাই) সকালে রাজধানীর বৃহত্তম মিরপুরের একাধিক বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের ‘বাজারে এলে মাথা ঠিক থাকে না’ অবস্থা।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকারভেদে তেলাপিয়ার কেজি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙ্গাশের কেজি ২০০ থেকে ২৪০ টাকা, সিলভার কাপ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে। অথছ কিছুদিন আগেও এ তিন পদের মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকার কম ছিল। আর এ জাতীয় মাছেই আমিষের চাহিদা মিটতো নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের। কিন্তু দাম বাড়ায় সেটিও এখন তাদের পাতে উঠছে না। সপ্তাহের ব্যবধানে অন্য মাছের দামও বেড়েছে। আকারভেদে রুই-কাতলা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া চিংড়ি মাছের মধ্যে ছোট আকারের প্রতি কেজির দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। মাঝারি আকারের প্রতি কেজি ৯০০ থেকে হাজার টাকার বেশি। আর আকারে বড় চিংড়ি ১২০০ টাকারও বেশি।

এদিকে ইলিশ মাছ আকাশছোঁয়া। ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা চলায় বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম। এক কেজির কম ওজনের অর্থাৎ ৮০০ গ্রামের একটি ইলিশ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। বাজারে কাঁচা মরিচ, আদা, রসুন, আলু, পেঁয়াজ ও শাক-সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমেনি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এসব নিত্যপণ্যের দাম চড়া। কোরবানির পর থেকে টমেটো, কাঁচা মরিচের দাম থেমে থেমে বাড়ছে, প্রতি কেজি কমবেশি ৩০০ টাকা। বাজারে আলুর কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭৫ টাকায়। আদার দাম প্রায় দুই মাস ধরে ৩০০ টাকার ওপর। এর মধ্যে চলতি সপ্তাহে নতুন করে রসুনের দাম কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়।

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটার ১৭৯ টাকা। স্বস্তি ফেরেনি চিনিতে, প্রতি কেজি এখনো ১৪০-১৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগির কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। ফার্মের বাদামি ডিমের হালি এখনো ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। একই অবস্থা সবজির বাজারেও। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে এখন প্রতি কেজি করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, পেঁপে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কচুমুখি ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ জুলাই ২০২৩,/দুপুর ১২:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit