সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নেত্রকোনায় আবাসিক ভবনে চুনের গুদাম: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে এক পরিবার, অপসারণের দাবি সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন লারা-ব্রাডম্যানের রেকর্ড ছুঁলেন এই তারকা চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন কঠিন হবে: ইসি মাছউদ সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি ছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আট মাসের মাথায় ৩ মন্ত্রী ও ১ এমপির বিদায় সাংবাদিক আলিফ  হত্যার প্রতিবাদে নরসিংদীতে মানববন্ধন বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে লাহোরের মাস্টারপ্ল্যান আশুলিয়ায় দেলোয়ার মীরের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  ফুলবাড়ীতে আশংকাজনক ভাবে মাদকাসক্তের সংখ্যা বাড়ছে, নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে যুব সমাজ॥

দাম কমেনি কিছুরই, মাছ নাগালের বাইরে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০২৩
  • ২১৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : দাম কমেনি কিছূরই। বরং সপ্তাহান্তে বাড়তি দামের তালিকায় যোগ হয়েছে কয়েক পদের সবজি ও রসুন। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমুখী কাঁচা মরিচ, আদা, আলু ও চিনির দামও অপরিবর্তিত। ভরা বর্ষায়ও কমেনি মাছের দাম। বরং তা আরও বেড়েছে। মাছ চলে গেছে সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। আজ শুক্রবার (২১ জুলাই) সকালে রাজধানীর বৃহত্তম মিরপুরের একাধিক বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের ‘বাজারে এলে মাথা ঠিক থাকে না’ অবস্থা।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকারভেদে তেলাপিয়ার কেজি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙ্গাশের কেজি ২০০ থেকে ২৪০ টাকা, সিলভার কাপ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে। অথছ কিছুদিন আগেও এ তিন পদের মাছের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকার কম ছিল। আর এ জাতীয় মাছেই আমিষের চাহিদা মিটতো নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের। কিন্তু দাম বাড়ায় সেটিও এখন তাদের পাতে উঠছে না। সপ্তাহের ব্যবধানে অন্য মাছের দামও বেড়েছে। আকারভেদে রুই-কাতলা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া চিংড়ি মাছের মধ্যে ছোট আকারের প্রতি কেজির দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। মাঝারি আকারের প্রতি কেজি ৯০০ থেকে হাজার টাকার বেশি। আর আকারে বড় চিংড়ি ১২০০ টাকারও বেশি।

এদিকে ইলিশ মাছ আকাশছোঁয়া। ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা চলায় বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম। এক কেজির কম ওজনের অর্থাৎ ৮০০ গ্রামের একটি ইলিশ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। বাজারে কাঁচা মরিচ, আদা, রসুন, আলু, পেঁয়াজ ও শাক-সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমেনি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এসব নিত্যপণ্যের দাম চড়া। কোরবানির পর থেকে টমেটো, কাঁচা মরিচের দাম থেমে থেমে বাড়ছে, প্রতি কেজি কমবেশি ৩০০ টাকা। বাজারে আলুর কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭৫ টাকায়। আদার দাম প্রায় দুই মাস ধরে ৩০০ টাকার ওপর। এর মধ্যে চলতি সপ্তাহে নতুন করে রসুনের দাম কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়।

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটার ১৭৯ টাকা। স্বস্তি ফেরেনি চিনিতে, প্রতি কেজি এখনো ১৪০-১৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগির কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। ফার্মের বাদামি ডিমের হালি এখনো ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। একই অবস্থা সবজির বাজারেও। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে এখন প্রতি কেজি করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, পেঁপে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কচুমুখি ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ জুলাই ২০২৩,/দুপুর ১২:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit