লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : ভিটামিন সি শরীরে সংরক্ষিত থাকে না। সে জন্য প্রতিদিনই আমাদের শরীরে এই ভিটামিনের প্রয়োজন হয়। একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের প্রতিদিন আনুমানিক ৯০ মিলিগ্রাম এবং একজন পূর্ণবয়স্ক নারীর ৭৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি গ্রহণ ভীষণ জরুরি।
* রক্ত তৈরিতে ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। রক্তের জরুরি উপাদান লোহিত রক্তকণিকাকে আরো বেশি কর্মক্ষম করে তোলে ভিটামিন সি।
* জ্বর জ্বর ভাব, কাশি, মাথা ব্যথা, হাঁচি, সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে লড়াই করে।
* রক্তের ক্ষতিকর উপাদানগুলো কমাতে সাহায্য করে।
* গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা নিয়মিত ভিটামিন সি গ্রহণ করেন, তাঁদের বাতের ব্যথা, রক্তে ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা, ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কম।
* ভিটামিন সি রক্তনালি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ভিটামিন সি কমিয়ে দেয় হৃদরোগের ঝুঁকি।
* কিশোর বয়স থেকেই ভিটামিন সি জাতীয় শাক-সবজি ফল খেতে হবে। কিশোর বয়স থেকেই আমরা যদি সচেতন হতে পারি, তাহলে বড় হয়ে আমরা অনেক অসুখ থেকে দূরে থাকতে পারব। ভিটামিন সি রক্তে বাড়িয়ে তোলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আমাদের তারুণ্য বজায় রাখে।
* শীতকালে জিহ্বাতে ঘা, ঠোঁটের কোনায় ঘা, ঠোঁট ফেটে যাওয়া, পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া রোধ করে ভিটামিন সি।
* নিয়মিত ভিটামিন সি কমিয়ে দেয় চর্মরোগের পরিমাণ।
যা জানা জরুরি
* সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে হালকা টক ফলগুলো খাওয়া উচিত। সন্ধ্যা বা রাতে টক ফল খেলে অনেকের হজমের সমস্যা হয়।
* কিডনির জটিলতায় ভুগলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ফল খাওয়া অনুচিত। যাদের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা অনেক বেশি বা যাঁরা ডায়ালিসিস করাচ্ছেন, তাঁদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
কিউএনবি/আয়শা/১৪ জুলাই ২০২৩,/সকাল ১০:৪৫