স্পোর্টস ডেস্ক : শুক্রবার (২৬ মে) ভাইটালিটি ব্লাস্টে মাত্র ৪১ বল মোকাবিলায় ১১টি ছক্কা ও ৪টি চারের মারে ১১০ রানে অপরাজিত ছিলেন অ্যাবট। তার বিধ্বংসী ইনিংসে নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ২২৩ রানের বড় সংগ্রহ পায় সারে। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রানে থামে কেন্টের ইনিংস। তাতে অ্যাবটরা ৪১ রানের জয় নিশ্চিত করেন।
এদিন ব্যাট হাতে নেমে শুরু থেকে ঝলক দেখান অ্যাবট। ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২৩ বলে ৫ ছক্কা ও ১ চারে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি। এরপর কেইন রিচার্ডসনের এক ওভারে সমান ৩ ছক্কা ও ৩ চারের মারে তুলে নেন ৩০ রান। তাতে ২৯ বলে তার সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ৮০ রান। ৩১ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডার পরের ৩ বলে ১ ছক্কায় তুলে নেন ৮ রান।
এরপর আক্রমণে আসা মাইকেল হোগানকে পরপর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৪ বলে স্পর্শ করেন সেঞ্চুরির মাইলফলক। ভাগ বসান আসরটিতে সাইমন্ডসের করা দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডে। ২০০৪ সালে কেন্টের সার্জিতে সাইমন্ডস ৩৪ বলে সেঞ্চুরি করে ১৯ বছর ধরে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টির ক্রিকেটে অবশ্য দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি এখনো এককভাবে নিজের আয়ত্তে রেখেছেন ক্যারিবীয় তারকা ক্রিস গেইল। ২০১৩ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে আইপিএলে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেন গেইল। দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি আছে ভারতের রিশাভ পন্তের দখলে।
২০১৮ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে দিল্লির হয়ে হিমাচলপ্রদেশের বিপক্ষে ৩২ বলে সেঞ্চুরি করেন পন্ত। একই বছর আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি কাপে নর্থ ওয়েস্টের হয়ে লিমপোপোর বিরুদ্ধে ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেন উইয়ান লুবে। দ্রুততমর হিসেবে অ্যাবট ও সাইমন্ডসের রেকর্ডটি আছে যৌথভাবে তালিকার চারে।
কিউএনবি/আয়শা/২৭ মে ২০২৩,/রাত ৮:০০