সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুবদল নেতা সাজ্জাদুল মিরাজের বড় ছেলে রোজান আর নেই প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তর, স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে যুবতীর অনশন গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে গেলেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা বিচারকের খাস কামরায় গাড়িচালককে মারধরের অভিযোগ কক্সবাজার কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু মুন্সীগঞ্জে ২ লাখ বর্গমিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস ‘আলাদা দেশ হয়েও অঙ্গরাজ্যের সুবিধা চায়’, কানাডা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের বালু পাথরের টুকরোয় মিলল হাজার বছরের পুরোনো শহরের খোঁজ হত্যার পর গোসল করে খেজুর ও ইয়াবা সেবন করে খুনিরা: পুলিশ ছাগল খুঁজতে গিয়ে মিলল স্বর্ণের খোঁজ, ছুটছে ১০ হাজার মানুষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস জাতীয় নদী পরিদর্শনকরে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের অসন্তোষ

বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১২৩ Time View
বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী তিতাস নদী পরিদর্শন করেছেন জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড.মনজুর আহমেদ চৌধুরী। আজ বুধবার দুপুরে তিনি তিতাস নদীর মেড্ডা শ্মশান ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে ছোট্ট নৌযানে করে তিনি তিতাস নদীর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।তিতাস নদী পরিদর্শন শেষে  সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড.মনজুর আহমেদ চৌধুরী জানান, তিতাস নদী ঐতিহাসিক নদী। এ নদীকে কেন্দ্র করে গল্প-উপন্যাস চলচিত্র রচিত হয়েছে। কিন্তু দখল দূষনের কারণে নদীটির অস্তিত্ব বিলিনের পথে।  মানুষ এখানে বর্জ্য ফেলে যাচ্ছে। প্রশাসন বারবার বলার পরও মানুষ শুনছে না। এটি খুবই হতাশাজনক। শুধু প্রশাসন কাজ করলে হবে না।
প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্থরের মানুষকে সহযোগিতা করতে হবে। কারণ নদী আমাদের প্রাণ। এটিকে রক্ষা করার জন্যই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নদী দখল করে মাছ চাষের ব্যাপারে তিনি অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি দখল দূষনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্যে নির্দেশনা প্রদান করেন।এর আগে তিনি সদর উপজেলার বিসিক শিল্পনগরীর খাল এবং পুকুর পরিদর্শন করেন এ সময় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) যথাযথ বাস্তবায়ন না করায় ক্ষোভ এবং অসন্তোষ প্রকাশ করেন ড.মনজুর আহমেদ চৌধুরী।তিনি বলেন, এখানে সংগতি করার মতো কিছুই নেই। শিল্প বর্জ্য উৎপাদন হয় এখানে, কিন্তু বর্জ্য শোধনাগারের কোনো ব্যবস্থা নেই।
আমরা কমিশন এসে এখানে হতবাক হয়েছি। এখানে শুধু মাত্র শিল্প কারখানার কেমিক্যাল নয় এখানে পয় বর্জ্য নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। পরিবেশ অধিদপ্তর এখানে কাজ করছে না। এখানে নাকি মাঝে মাঝে জরিমানা করা হয়। কিন্তু জরিমানা করে এখানে কোনো কিছুই করা যাবেনা। আমরা আশা করি জনগণের স্বার্থে শিল্প মালিকদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো: শাহগীর আলম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: রুহুল আমিন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাজমহল বেগম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মনজুর রহমান, বিআইডব্লিউটি এর উপ-পরিচালক মো: রেজাউল করিম, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আব্দুস কুদ্দুস ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় যোগদেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড.মনজুর আহমেদ চৌধুরী।

 

 

 

কিউএনবি/অনিমা/০৫ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৯:২৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit