বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইরান যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের সঙ্গে সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রীর আরও দুই বিশেষ সহকারী নিয়োগ কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের সাথে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ পেনাল্টিতে গোল না হলে ফল ভিন্ন হত: অর্পিতা বিশ্বাস অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান চীনের সরকারি দফতরে কর্মরতদের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা জরুরি: কৃষিমন্ত্রী জৈব পদ্ধতিতে লটকন চাষে সফল উদ্যোক্তা, বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ চীনে ১০ম ওয়ার্ল্ড জুনিয়র উশু চ্যাম্পিয়নশিপে সিলেটের আনোয়ার হোসেনের কৃতিত্ব লালমনিরহাটে একটি রেস্টুরেন্টকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, ম্যানেজারের কারাদণ্ড নোয়াখালীতে ডিএনসির অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫

রেকর্ড তাপমাত্রা: মানুষের প্রাণ বাঁচানোই দায়

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
  • ৮৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের জাতীয় আবহাওয়া অফিস সতর্ক করে বলেছে, আসন্ন সপ্তাহগুলোতে দাবদাহের মাত্রা এতটাই তীব্র হবে যে, ১৯০১ সালের পর দেশটি সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ফলে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে যে, ভারতে গত বছর যে তীব্র দাবদাহ বয়ে গিয়েছিল তারই পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে। 

কেবল তাই নয়, গত বছরের মতো এবারও ভারতে ফসলের ক্ষতি, পানি শুকিয়ে যাওয়া এবং একাধিকবার দীর্ঘ সময়ব্যাপী লোডশেডিংয়ের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এ সময়ে তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এই তাপমাত্রা যেকোনো পরিস্থিতিতে মানুষের টিকে থাকার জন্য অসহনীয়। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতির দেশটির শহরগুলোতে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে উঠবে। কারণ, এসব শহরে দালানগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে আলো-বাতাস প্রবাহের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই।

ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের অধ্যাপক কেইরান হান্ট বলেছেন, ‘মানুষের জন্য তাপ মানে হলো তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার সমন্বিত অবস্থা। ভারত সাহারা মরুভূমির মতো উষ্ণ হলেও দেশটিতে আর্দ্রতার পরিমাণ সাহারার চেয়ে বেশি। ফলে এখানে ঘামলেও শরীর ঠাণ্ডা হওয়ার সুযোগ কম বা নেই বললেই চলে।’

গত বছরের নভেম্বরে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে মানুষের প্রাণ ধারণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যেকোনো সময় ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে মানুষের প্রাণ ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে তীব্র গরমের সময়।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সেই প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক এবং ভারতীয় নাগরিক আভাস ঝাঁ বলেছেন, ‘প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো তাপ-জনিত দুর্ভোগের শিকার হইনি? এটি কোনো আকস্মিক দুর্যোগের মতো নয়, এটি ধীর গতির প্রক্রিয়া এবং আমরা চাইলেও একে ঠেকাতে পারব না।’

যদিও বিশ্বের কোনো দেশই বৈশ্বিক ঊষ্ণায়ণের ফলাফল থেকে রক্ষা পাবে না। তারপরও বোধহয় ভারত-বাংলাদেশের মতো জনবহুল এবং সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলোর বিপদ তুলনামূলক বেশিই।  

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৮ মার্চ ২০২৩,/রাত ৮:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit