আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের জাতীয় আবহাওয়া অফিস সতর্ক করে বলেছে, আসন্ন সপ্তাহগুলোতে দাবদাহের মাত্রা এতটাই তীব্র হবে যে, ১৯০১ সালের পর দেশটি সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ফলে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে যে, ভারতে গত বছর যে তীব্র দাবদাহ বয়ে গিয়েছিল তারই পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে।
গত বছরের নভেম্বরে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে মানুষের প্রাণ ধারণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যেকোনো সময় ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে মানুষের প্রাণ ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে তীব্র গরমের সময়।
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সেই প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক এবং ভারতীয় নাগরিক আভাস ঝাঁ বলেছেন, ‘প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো তাপ-জনিত দুর্ভোগের শিকার হইনি? এটি কোনো আকস্মিক দুর্যোগের মতো নয়, এটি ধীর গতির প্রক্রিয়া এবং আমরা চাইলেও একে ঠেকাতে পারব না।’
যদিও বিশ্বের কোনো দেশই বৈশ্বিক ঊষ্ণায়ণের ফলাফল থেকে রক্ষা পাবে না। তারপরও বোধহয় ভারত-বাংলাদেশের মতো জনবহুল এবং সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলোর বিপদ তুলনামূলক বেশিই।
কিউএনবি/আয়শা/২৮ মার্চ ২০২৩,/রাত ৮:২০