বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন

ঋতু পরিবর্তনে শিশুর ঠাণ্ডা জ্বরে করণীয়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৮ মার্চ, ২০২৩
  • ১০২ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : দিনে গরম রাতে শীত—মিশ্র আবহাওয়ার এই সময়টা শিশুদের জন্য একটু বিপজ্জনক। শিশুদের ত্বক অনেক সংবেদনশীল হয়। এমন আবহাওয়ার সঙ্গে তারা মানিয়ে নিতে পারে না। দিনের গরমে শিশুরা ঘেমে যায়। ঘর্মাক্ত জামা বড়দের খেয়াল না হলে শিশুর গায়েই শুকিয়ে যায়। এটাও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দুপুরের গরমে গোসলে আরাম লাগে। এ সময় শিশুরা দীর্ঘক্ষণ গোসল করতে পছন্দ করে। রাতের শুরুর দিকে গরম।

শেষ ভাগে শীত পড়ে। সকালে উঠে কুয়াশার মধ্য দিয়ে অনেক শিশুকে স্কুলে যেতে হয়। এ জন্য এখনকার আবহাওয়ায় ছোটদের ঠাণ্ডা ও জ্বরে বেশি ভুগতে দেখা যায়। এ জন্যই এখন জ্বর, কাশি, ঠাণ্ডায় আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বাড়ছে। এই সময়ের বেশির ভাগ জ্বরই ভাইরাসজনিত। নানা ধরনের ভাইরাসের কারণে জ্বর হতে পারে। সব ভাইরাস জ্বরের লক্ষণ এক নয়। ভাইরাস জ্বরে শিশুদের সাধারণত সর্দি-কাশি, গলা, মাথা ও শরীরে ব্যথা করে। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়টায় প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় বলে একে সিজনাল ফ্লু বলা হয়।

এ সময় শিশুর সুরক্ষায় দরকার অভিভাবকদের সচেতনতা। শিশুরা সারাক্ষণ দৌড়াদৌড়ি ও ছোটাছুটির মধ্যে থাকে। এর ফলে তাদের শরীরে গরমে ঘাম বেশি হয়। এ জন্য এখন শিশুদের সব সময় হালকা সুতির কাপড় পরাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে শিশুর পোশাক যেন আঁটসাঁট না হয়। ঢিলেঢালা পোশাক পরাতে হবে, যাতে বাতাস ঢুকতে পারে। এতে শিশুদের ঘাম কম হবে। শিশুরা ঘেমে গেলে দ্রুত পোশাক বদলে ঘাম মুছে দিতে হবে। শিশুরা বাইরে থেকে ফিরে গোসল করতে চাইলে তত্ক্ষণাত্ গোসল করতে দেওয়া যাবে না। আগে শরীর ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে। ফ্যানের নিচে কিছুক্ষণ বসে গা জুড়াতে হবে। শিশুর শরীর স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরলে এরপর গোসল করাতে হবে। গরমের সময় গোসলে নিয়মিত সাবান ব্যবহার করতে হবে। গোসল শেষে খুব ভালো করে গা-মাথা ও চুল মুছে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন চুলের গোড়ায় পানি না থাকে।

দুগ্ধপোষ্য শিশুদের ঘন ঘন মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। ঠাণ্ডায় শিশুর নাক বন্ধ থাকলে নরসল দিয়ে পরিষ্কার করে দিতে হবে। জ্বর-ঠাণ্ডায় শিশুর হাঁচি হাতে লাগলে তখনই সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সাধারণ জ্বর হলে শিশুকে বিশ্রামে রাখতে হবে। চিকিত্সকের পরামর্শমতো ওষুধ খাওয়াতে হবে। কুসুম গরম পানিতে গামছা ভিজিয়ে গা-মাথা মুছে দিলে আরাম পাবে। জ্বরে ঠাণ্ডা পানি, বরফ পানি বা মাথায় ক্রমাগত পানি ঢালার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে ঘরের ফ্যান ছেড়ে রাখতে পারেন। জ্বরের শিশুকে খাবার খাওয়াতে জোর করা যাবে না। এতে বমি হতে পারে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৮ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৫:১৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit