ডেস্ক নিউজ : নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সঠিক শিক্ষানীতি নিয়ে দেশ এগিয়ে চলছে। শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে নতুন পাঠ্যবই দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া রোধে বৃত্তি ও উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছেন শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমাদের শুধু একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত হলে চলবে না; আমাদেরকে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিদ্বান ও দেশপ্রেমিক মানুষ হতে হবে।
তিনি বলেন, ১৪ বছর আগে ক্ষমতাসীন ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি জঙ্গিবাদের মাদকের রাজত্ব কায়েম হওয়ার কারণে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল। শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ একেবারে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে গোলাম মোস্তফা (জিএম) হাইস্কুলের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শতবর্ষপূর্তির সকালে বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কবুতর মুক্তকরণ, ভাস্কর্য ও নামফলক উম্মোচন এবং বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিল্টনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলতাফুজ্জামান মিতা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ওয়াসিকুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র মো. মাহবুব আলম লিটন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমন্বিত উন্নয়ন, সমন্বিত সমাজ ব্যবস্থা ও সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থার কারণে সমগ্র বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে গেছে; যা সমগ্র পৃথিবীতে প্রশংসিত হচ্ছে। এ ধারাকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশে পা দিয়েছি। ২০৪১ সালে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব সেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছেন। আমরা বলতে পারি আমরা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক। আমাদের জাতীয় সংগীত আছে, আমাদের জাতীয় পতাকা আছে, আমাদের পাসপোর্ট আছে; যা আমাদেরকে সমগ্র পৃথিবীতে পরিচয় করে দেয়। তিনি আশা করেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে গোলাম মোস্তফা বিদ্যালয় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কিউএনবি/আয়শা/১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/সন্ধ্যা ৬:৩৩