স্পোর্টস ডেস্ক : মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বুলাওয়ে টেস্টের চতুর্থ দিনে ব্যাট করছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪৪৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ইনোসেন্ট কাইয়ার অর্ধশতকের পর ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছেন গ্যারি ব্যালান্স। হাঁকিয়েছেন জিম্বাবুয়ের জার্সিতে প্রথম শতক। তাতে বিপর্যয় কাটিয়ে দারুণ জবাব দিচ্ছে স্বাগতিকরা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩৩১। ১১৭ রানে অপরাজিত ব্যালান্সের সঙ্গে ৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন ভিক্টর নিয়াউচি।
১৯২ রানে ৭ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে এদিন ঘুরে দাড়িয়েছে ব্যালান্স-মাভুতা জুটিতে। দুজনের ১৩৫ রানের জুটিতে। ১৩২ বলে মাভুতা ৫৬ রান করে ফিরে গেলেও সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে এখনো লড়ে যাচ্ছেন ব্যালান্স। একই সঙ্গে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েই ঢুকে গেছেন ক্রিকেটের রেকর্ডবুকের বিরল এক পাতায়। দুটি দেশের হয়ে টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকানোর বিরল রেকর্ডের মালিক এখন ব্যালান্স। জিম্বাবুয়ের জার্সিতে টেস্ট শতক করার আগে তিনি শতক হাঁকিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের হয়েও।
জিম্বাবুয়ের হয়ে শুরুটা দারুণ হয়েছে ব্যালান্সের। ১২ জানুয়ারি টি-টোয়েন্টি ও ১৮ জানুয়ারি জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়ানডে সংস্করণে অভিষেকের পর চলতি বুলাওয়ে টেস্ট দিয়ে জিম্বাবুয়ের পক্ষে তিন সংস্করণের ক্রিকেটেই অভিষেক হলো তার। আর টেস্ট অভিষেকটা তিনি রাঙিয়েছেন দারুণ এক সেঞ্চুরিতে।
এই রেকর্ডে ব্যালাসের পাশে আছেন শুধুই কেপলার ওয়েসেলস। দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী এ কিংবদন্তি। ১৯৫৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লুমফন্টেইনে জন্ম নেয়া ওয়েসেলসের টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় অস্ট্রেলিয়ার হয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকা সে সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত থাকায় তিনি অস্ট্রেলিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন।
১৯৮২-৮৩ মৌসুমে ব্রিসবেন টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন ১৬২ রানের দারুণ এক ইনিংস। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটিই ছিল তার ইনিংস। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসার পর ১৯৯৪ সালে লর্ডস টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ১০৫ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন। মজার বিষয়, দক্ষিণ আফ্রিকার হয়েও এটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার প্রথম ইনিংস ছিল। এরপর তিনি প্রোটিয়াদের হয়ে আরও ৪টি সেঞ্চুরি করেছিলেন।
কিউএনবি/আয়শা/০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/রাত ৮:২৫