আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনে ভাইরাস নির্মূল করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও দৈনিক করোনা সংক্রমণ রেকর্ডসংখ্যক বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজধানী বেইজিং এবং দক্ষিণের বাণিজ্য কেন্দ্র গুয়াংজুসহ বেশ কয়েকটি বড় শহরে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার দেশটিতে ৩১৫২৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। যা গত এপ্রিল মাসের তুলনায় বেশি।গত এপ্রিল মাসে শনাক্ত হয়েছিল ২৮০০০ করোনা রোগী, যখন চীনের বৃহত্তম শহর সাংহাইয়ে লকডাউন চলছিল। চীনের শূন্য-কভিড নীতি অনেক মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। কিন্তু এই কঠোর নীতি অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের ওপর আঘাতের মতো পড়েছিল। লকডাউনগুলো অস্থিরতার সৃষ্টি করেছিল।
দেশটিতে কভিড বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল করার কয়েক সপ্তাহ পরেই কভিড রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। বেইজিং এইবার নতুন সমস্যায় পড়ল। সেই সঙ্গে কয়েক মাসের মধ্যে এই ভাইরাসের প্রথম মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি অঞ্চলে কিছু বিধি-নিষেধ প্রয়োগ করেছেন। দোকানপাট, স্কুল এবং রেস্তোঁরা বন্ধ করে দিয়েছেন। চীনের ঝেংঝো কেন্দ্রীয় শহরে শুক্রবার থেকে ৬ মিলিয়ন বাসিন্দাদের জন্য কঠোর লকডাউন দেওয়া হবে বলে কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছেন।
বর্তমানে ৩১টি প্রদেশে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং বলেছেন, দেশের বৃহৎ প্রবীণ জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। যদিও দেশটিতে টিকা দেওয়ার মাত্রা অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর তুলনায় কম এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে মাত্র অর্ধেক মানুষকে প্রাথমিক টিকা দেওয়া হয়েছে। মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে চীনের সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।
সূত্র : বিবিসি
কিউএনবি/আয়শা/২৪ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:১৪