লাইফ ষ্টাইল ডেসক্ : বিজ্ঞানী হ্যানিম্যান ১৭৯৬ সালে হোমিওপ্যাথী চিকিৎসা পদ্ধতি বিশ্ববাসীর সামনে প্রথম তুলে ধরেন। রোগের তীব্রতা অনুযায়ী রোগীকে অল্প ওষুধ দিয়ে সুস্থ করে তোলাই এ চিকিৎসায় জাদুর মতো কাজ করে।
মানুষের মধ্যে একটা বিশ্বাস রয়েছে যে, হোমিওপ্যাথি ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এ ধারণা বা বিশ্বাস কতটা যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা?
চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাস থেকে জানা যায়, হোমিওপ্যাথিতে ব্যবহৃত সব ওষুধ ওষুধি গাছ আর লতাপাতা থেকে তৈরি।
তাছাড়া এ চিকিৎসা শাস্ত্রের সব ওষুধ প্রতিটি সুস্থ মানবদেহে বারংবার পরীক্ষিত। হোমিওপ্যাথী চিকিৎসার বড় যে সুবিধা পাওয়া যায় তা হলো এই চিকিৎসায় রোগীর মধ্যে কোনো অপ্রত্যাশিত উপসর্গ দেখা দিলে বা রোগীর মধ্যে নতুন কোনো উপসর্গ তৈরি করতে চাইলে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তা নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
তাই সদ্যোজাত থেকে শুরু করে মৃত্যুপথযাত্রী এমনকি ক্যানসার রোগীর ক্ষেত্রেও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা এবং এর ওষুধ সম্পূর্ণ নিরাপদ।
কিউএনবি/আয়শা/১২ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:০৪