এই সময় ‘মূল কাজটি’ করেন রঘু। এমনিতে ম্যাচ চলাকালীন বোলারদের টুকটাক নির্দেশ দেওয়া ছাড়া সেভাবে কোনও কাজ থাকে না তার। কিন্তু বুধবার পরিস্থিতি অন্য রকম থাকায় হাতে একটি ব্রাশ নিয়ে বাউন্ডারির ধারে দাঁড়িয়ে যান তিনি। ভেজা মাঠে ক্রিকেটারদের জুতার তলায় কাদা ঢুকে যাচ্ছিল। কাদা জমে থাকলে জুতা ভারি হয়ে যাওয়ার কারণে ক্রিকেটারদের দৌড়াতে অসুবিধা হতে পারে। সেটা মাথায় রেখেই ব্রাশ দিয়ে রাহুল, কোহলিদের জুতা পরিষ্কার করে দিচ্ছিলেন রঘু। ফলে ফিল্ডাররা অনায়াসে ও সাবলীলভাবে মাঠে দৌড়াতে পারছিলেন।জুতার তলায় কাদা জমে গেলে দৌড়াতে কতটা অসুবিধা হতে পারে সেটা বোঝা যায় বাংলাদেশের ওপেনার লিটন দাসকে দেখে। তিনি দুই রান নিতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান। দূর থেকে রাহুলের ছোড়া থ্রো গিয়ে উইকেট ভেঙে দেয়। ওই একটা আউট ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দেয়। অন্যদিকে, রঘুর বুদ্ধিতে ফিল্ডিংয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন সূর্যকুমার, অর্শদীপ, হার্ডিক পান্ডিয়া, কোহলিরা।






















