স্পোর্টস ডেস্ক : ইংল্যান্ড-ভারতের মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজ শেষ হয়েছে বেশ কয়েকদিন হলো। কিন্তু শেষ ম্যাচে ভারতের স্পিনার দিপ্তি শর্মার সেই মানকাড আউট নিয়ে এখনও চলছে তুমুল আলোচনায়। ইংলিশ মিডিয়ায় নিয়মিতভাবে সংবাদ ছাপা হচ্ছে। সোশ্যাল সাইটেও চলছে কথার লড়াই। সেই লড়াইয়ে এবার যোগ দিলেন ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস এবং ভারতের খ্যাতিমান ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে।
টুইটারে হার্শা লিখেছেন, ‘এটা অত্যন্ত বিরক্তিকর যে, ব্রিটিশ মিডিয়ার বৃহদাংশ একটি মেয়েকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, যে মেয়েটি ক্রিকেটের নিয়ম মেনে খেলেছে। সে এমন কেউ নয়, অবৈধ সুবিধা নেওয়া যার অভ্যাস। এটা ইংলিশদের সংস্কৃতিতে ঢুকে গেছে, যেহেতু তারা ক্রিকেট বিশ্বের একটা বড় অংশ শাসন করেছে। তারা সবাইকে বোঝাচ্ছে এটা ভুল। কলোনিয়াল আধিপত্য এক সময় এতই শক্তিশালী ছিল যে, সেটা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ আছে। ভুলটা ভুলই। সেটা বাকি ক্রিকেট বিশ্বের জন্যও… ওরা দিপ্তিকে খোঁচা দিয়ে অপমানজনক কথা বলছে। ‘
হার্শার এই টুইট ভালোভাবে গ্রহণ করেননি বেন স্টোকস। নিজেদের সংস্কৃতিকে আঘাত করার প্রতিবাদে তিনি লিখেছেন, ‘হার্শা, মানকাড নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামতে কি সংস্কৃতি টানা উচিত? ২ বছর আগে ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইানাল হয়েছে। আমি আজও ভারতীয় ভক্তদের অসংখ্য মেসেজ পাই। তারা জানতে চায়, ওই ঘটনা কি আমায় বিব্রত করে? এটা কি সাংস্কৃতিক বিষয়? একেবারেই নয়। আমার ওই ওভারথ্রো নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষের থেকে মেসেজ পাই। সবাই মন্তব্য করে। শুধু ইংলিশরাই নয়, সারা বিশ্ব এই নিয়ে কথা বলছে। ইংল্যান্ডই একমাত্র ক্রিকেটীয় দেশ নয় যে, যারা এই আউট নিয়ে কথা বলছে। ‘
এদিকে দিপ্তির মানকাডিং নিয়ে বিতর্কের পর এক বিবৃতিতে এমসিসি জানিয়েছে, ‘এমসিসি চলতি বছর ক্রিকেটীয় আইনে যে সংশোধন এনেছে, সেখানে নন-স্ট্রাইকার এন্ডে দাঁড়ানো ব্যাটারের রান-আউটকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আইনের ৪১ ধারায় ‘আনফেয়ার প্লে’কে ৩৮ ধারায় ‘রান-আউট’ করা হয়েছে। এই পরিবর্তন আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর। ব্যাটারদের দায়িত্ব তারা যেন ক্রিজের মধ্যে থাকেন। বোলার বল ডেলিভারির আগে তারা যেন নন-স্ট্রাইকার ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে না আসেন। ‘
কিউএনবি/আয়শা/০১ অক্টোবর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/রাত ১১:২১