মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউপির শিবকৃষ্ণপুর পাতরাপাড়া গ্রামের বাড়ী থেকে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ ইটের প্রাচীর নির্মাণ করায়, গত ৮মাস থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে তিনটি পরিবার। পানি নিস্কাশনের নালা দিয়ে কোন রকমের মানুষ বের হতে পারলেও, বাড়ীর মধ্যে বন্দি হয়ে পড়েছে বাড়ী বৃদ্ধ সদস্যসহ গরু-চাগল গৃহপালতি পশু। বিচারের আশায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের শিবকৃষ্ণপুর পাতরাপাড়া গ্রামে।
এই ঘটনায় অবরুদ্ধ হওয়া মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে ইকতিয়ার উদ্দিন বাদী হয়ে গত শুক্রবার বিকালে বড়পুকুরিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে রাস্তা বন্ধকারী ৫জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। শনিবার সকালে বড়পুকুরিয়া তদন্ত কেন্দ্রের উপ-সহকারী পুলিশ পরিদর্শক বিধু চন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । অবরুদ্ধ হওয়া পাতরাপাড়া গ্রামের বাসীন্দা মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে ইকতিয়ার উদ্দিন বলেন, তাদের পিতামহ আখের উদ্দিনের ওয়ারিশ হিসেবে তার পিতা আমজাদ হোসেনসহ তার অন্য ওয়ারিশগণ একই জায়গায় বসবাস করে আসছে, এরেই মধ্যে গত ৮ মাস পূর্বে তার পিতার চাচা তো ভাই মনছার আলী ও মনছার আলীর ছেলেরা দির্ঘ দিনের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে পাকা ইটের প্রাচীর নির্মাণ করে চলাচরের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে, এতেকরে তিনি (ইকতিয়ার আলী)সহ তার অন্য চাচাতো ভাই শাহাজাহান ও সৈকত তিনটি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
অবরুদ্ধ হওয়া পরিবারের সদস্য মৃত আমিনুলের বিধবা স্ত্রী ছবেদা বেওয়া বলেন, বাড়ী থেকে বের হতে না পারায় তার ছেলে সৈকতের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবার বাড়ীতে অাশ্রয় নিয়েছে। এদিকে রাস্তা অবরুদ্ধকারী মনছার আলীর ছেলে আলি হোসেন বলেন ইকতিয়ার আলীসহ শাহাজান ও সৈকত তাদের অংশের জমি বাড়ীর মধ্যে বেশি করে নিয়েছে, এই জন্য তারা জায়গা বুঝিয়ে নেয়ার জন্য এই ইটের প্রাচীর দিয়েছেন বলে দাবী করেন। বড়পুকুরিয়া তদন্ত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-সহকারী পুলিশ পরিদর্শক বিধু চন্দ্র বলেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয়কে কাগজপত্রসহ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছে।