আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আয়ের জ্ঞাত উৎসের বাইরে অবৈধ সম্পদ থাকা, মানি লন্ডারিং এবং ব্যবসার নামে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করার অভিযোগে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (এনএবি) ফারাহ খানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার কয়েকদিন পরই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন ইমরান খান। এক বিবৃতিতে ন্যাব জানায়, গত তিন বছরে ফারাহ খানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৮৪৭ মিলিয়ন রুপির বিশাল টার্নওভার পাওয়া গেছে, যা তার দেওয়া অ্যাকাউন্টের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার (১ মে) ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে ইমরান খান বলেন, আমি এনএবিকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, ফারাহ খানের বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তার কি কোনো ভিত্তি আছে? ইমরান আরও বলেন, আয়ের জ্ঞাত উৎসের বাইরেও ফারাহ খানের সম্পদ রয়েছে বলে দাবি করেছে এনএবি। এটি শুধু সরকারি অফিসের কর্মকর্তাদের জন্য প্রযোজ্য। ফারাহ তো সরকারি কোনো কর্মকর্তা নন, তিনি গত দুই দশক ধরে রিয়েল এস্টেটে কাজ করছেন। পাকিস্তানে অনেকেই রিয়েল এস্টেটে কাজ করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এটি কোনো অপরাধ নয়।
এদিকে ইমরান খানসহ তার দলের শীর্ষ ১৫০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ডন, এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও জিও নিউজের খবরে বলা হয়, রোববার (০১ মে) মুহাম্মদ নাইম নামে ফয়সালাবাদের এক বাসিন্দা ব্লাসফেমি আইনে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইমরান খান ছাড়াও নাম আছে পাকিস্তানের সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী, সাবেক ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি, শেহবাজ গিল, সাহিবজাদা জাহাঙ্গীর, অনীল মুসাররাত ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদের। রশিদ আহমেদের ভাতিজা শেখ রশিদ শফিকের নামও মামলার এজাহারে রয়েছে।
ইমরান খান ও তার দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলার একটি কপি হাতে পেয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন। এর বরাতে ডন জানায়, পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ২৯৫ (ধর্মীয় স্থাপনার পবিত্রতা নষ্ট এবং ক্ষতিসাধন), ২৯৫-এ ও ১০৯ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।
কিউএনবি/আয়শা/২রা মে, ২০২২/১৮ বৈশাখ, ১৪২৯/সকাল ১১:৩১