সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র গুলো হারাচ্ছে প্রকৃতির রূপ ও বৈচিত্র্য ‎লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ৪, আহত ৬ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত আটোয়ারীতে প্রান্তিক পেশাজীবিদের ১০ দিনব্যাপি সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু কিশোর গ্যাং ও মাদক ঠেকাতে রাঙামাটি শহরে সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৩৫ কিশোর গ্যাং ও মাদক ঠেকাতে রাঙামাটি শহরে সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৩৫ মালয়েশিয়ার পর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও হারল বাংলাদেশ ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল দক্ষিণ কোরিয়া ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন সরকারের ফুলবাড়ীতে সড়ক পাকা করণসহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনের দাবি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের॥

শিশুকে রোজ প্রোটিন পাউডার খাওয়ানো ঠিক হচ্ছে কি?

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২
  • ৮৯ Time View

 

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক :  সন্তাকে ঠিক মত খাওয়ানো যেনো রীতিমত যুদ্ধ মায়েদের কাছে। খেতে অনিচ্ছার বায়না যেনো লেগেই থাকে প্রায় প্রত্যেক শিশুর মধ্যে। যার ফল শরীরে ঠিক মত পুষ্টির পূরণ হয়না শিশুদের। ঠিক তখন এই পুষ্টি পূরণের লক্ষ্যে অভিভাবকেরা বেছে নেন বাজারে পাওয়া যায় এমন বিভিন্ন প্রোটিন পাউডার।

তবে দীর্ঘ সময় ধরেই এই প্রোটিন পাউডার গুলো নিয়ে রয়েছে জোর চর্চা ও বিতর্ক। বাজারে চলমান এই বিভিন্ন প্রোটিন পাউডারে থাকে নানা রকমের কৃত্তিম ফ্লেভার ও সংরক্ষণকারী পদার্থ বা প্রিজারভেটিভ, যা বাড়ন্ত শিশুদের জন্য ভাল নয়।

বিশেষ করে একটি জিনিস জেনে রাখা খুব দরকার যে দৈনিক শিশুদের কতটা প্রোটিন দরকার!

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের প্রতিদিনের প্রোটিনের চাহিদা তাদের বয়স, কার্যাকলাপের মাত্রা এবং লিঙ্গের উপর নির্ভর করে।

মোটামুটি ভাবে, এক থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের প্রতিদিন ১৩ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন হয়। চার থেকে আট বয়সী শিশুদের জন্য ১৯ গ্রাম প্রোটিন, নয় থেকে তেরো বয়সী শিশুদের জন্য ৩৪ গ্রাম প্রোটিন ও চৌদ্দ থেকে আঠেরো বছর বয়সীদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিনের পরিমাণ যথাক্রমে  হওয়া উচিৎ ৫০ গ্রাম।

এও জেনে রাখা প্রয়োজন, প্রোটিন পাউডারে কখন দেওয়া উচিৎ শিশুদের। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রোটিন পাউডারের প্রয়োজনীয়তা তখনই হয়, যখন শিশুরা নিয়মিত খাবারের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রোটিন পায় না।

শিশুদের প্রোটিন পাউডার খাওয়াতে চাইলে তার আগে পুষ্টিবিদ বা শিশু চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। 

তবে ২০১৩ সালে করা একটি সমীক্ষা অনুসারে, প্রিজারভেটিভ যুক্ত প্যাকেজজাত প্রোটিন পাউডার নিয়মিত সেবনের ফলে কিডনিতে পাথর, লিভারের সমস্যা, সংবহনতন্ত্রের রোগ এবং হাড়ের অসুখ দেখা দিতে পারে। 

প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস হল টাটকা মাংস, তৈলাক্ত মাছ, ডিম, তাজা দুগ্ধজাত দ্রব্য এবং ডাল, পালংশাক ও ব্রকলির মতো সব্জি।

দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে বাড়িতে প্রোটিন পাউডার তৈরি করা যায়-

একটি ব্লেন্ডারে তিন কাপ গুঁড়া দুধ, এক কাপ ওট্স, এক কাপ বাদাম এবং পরিমাণ মতো গুড়, চিনি বা সুইটনার নিয়ে নিন। এ বার এগুলি একসঙ্গে ব্লেন্ড করুন। পাউডারটি একটি পরিষ্কার বয়ামে সংরক্ষণ করুন। অনেক দিন এই পাউডার রাখতে চাইলে বয়ামটি ফ্রিজে রাখতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়িতে তৈরি এক চামচ প্রোটিন পাউডারে প্রায় ১৮০ ক্যালোরি বা ১২ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে।

সুত্রঃ আনন্দবাজার অনলাইন

কিউএনবি/অনিমা/৬ই মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৩:৫২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit