শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কামিন্সের কঠিন প্রতিপক্ষের তালিকায় নেই রোহিত-কোহলি ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম বার্গার-ফ্রাইড চিকেন আর দিনে ১২ ক্যান ডায়েট কোক— ট্রাম্পের খাদ্যতালিকায় আর কী থাকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নেই: জেনে নিন ভুলটা কোথায় সকল মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ, কী আছে ট্রাম্প-ডেনমার্ক চুক্তিতে? নারীরা কারও সম্পত্তি নয়: হানিয়া আমির ডিএমপির চার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারকে বদলি ১৭ বছর বয়সেই সালমানের নায়িকা, কঠিন বিপদেও পাশে ছিলেন ভাইজান পাঠ্যবই ছাপায় নিম্নমানের কাগজ ছাড়, ইনফিনিটি সার্ভেকে শোকজ

আঙুর না কিশমিশ, স্বাস্থ্যগুণে কোনটি এগিয়ে?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : আঙুর মিষ্টি ও মৌসুমি ফল। বয়সভেদে প্রায় সবাই এ ফল খেতে পছন্দ করেন। অন্যদিকে কিশমিশ হলো আঙুর শুকিয়ে তৈরি করা শুকনো ফল। মিষ্টি স্বাদের কারণে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন ও খাবারে কিশমিশ ব্যবহার করা হয়। তবে স্বাস্থ্যগুণের দিক থেকে আঙুর ও কিশমিশের মধ্যে কোনটি এগিয়ে, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে।

আঙুর নাকি কিশমিশ?

আঙুরে প্রায় ৮০ শতাংশ পানি থাকে। অন্যদিকে কিশমিশে পানির পরিমাণ মাত্র ১৫ শতাংশ। আঙুরের তুলনায় কিশমিশে প্রায় তিন গুণ বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।

তবে ভিটামিনের দিক থেকে আঙুর এগিয়ে। এতে ভিটামিন কে, ই, সি, বি১ ও বি২ রয়েছে। কিশমিশে এসব ভিটামিন তুলনামূলক কম পরিমাণে থাকে।

আঙুর ও কিশমিশের ধরন

বাজারে বিভিন্ন ধরনের আঙুর ও কিশমিশ পাওয়া যায়। আঙুরের মধ্যে সবুজ, কালো ও লাল জাত বেশি পরিচিত। লাল আঙুরে রেসভেরাট্রল নামের একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই উপাদান রক্তচাপ কমাতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

একইভাবে কিশমিশের মধ্যেও সোনালি, সবুজ ও কালো ধরনের কিশমিশ পাওয়া যায়। সোনালি কিশমিশকে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বলা হয়। কারণ এতে অন্যান্য ধরনের কিশমিশের তুলনায় ফ্ল্যাভোনয়েড বেশি থাকে।

ক্যালরির দিক থেকে কে এগিয়ে?

যারা ওজন কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করছেন, তাদের জন্য ফল গুরুত্বপূর্ণ। আঙুরে ক্যালরির পরিমাণ খুব কম এবং এতে প্রচুর আঁশ রয়েছে। আঁশ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমে। অন্যদিকে কিশমিশে আঙুরের তুলনায় ক্যালরি অনেক বেশি। আঙুর শুকানোর সময় এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও চিনি ঘনীভূত হয়, যার ফলে ক্যালরির পরিমাণও বেড়ে যায়।

আধা কাপ কিশমিশে প্রায় ২৫০ ক্যালরি থাকে। একই পরিমাণ আঙুরে ক্যালরি থাকে মাত্র ৩০।

বাড়তি পুষ্টি চাইলে কিশমিশ

কিশমিশ আঁশ, পটাশিয়াম, আয়রন ও প্রয়োজনীয় খনিজের ভালো উৎস। এতে টারটারিক অ্যাসিড নামের একটি উপাদানও রয়েছে, যার প্রদাহবিরোধী গুণ রয়েছে বলে মনে করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, টারটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং অন্ত্রে থাকা উপকারী ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ত্বকের যত্নে আঙুর

আঙুরে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি রয়েছে। এই দুটি পুষ্টি উপাদান ত্বকের কোষকে সতেজ রাখতে এবং ক্যানসার সৃষ্টিকারী অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষায় সহায়তা করে।

ত্বকের কালো দাগ ও বলিরেখা কমাতেও আঙুর ব্যবহার করা হয়। এ কারণে বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় ও ফেসপ্যাকে আঙুর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/বিকাল ৫:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit