মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন

একে একে ১৪ বিয়ে, অতঃপর পুলিশের জালে ধরা ৬০ বছরের বৃদ্ধ!

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৬৬ Time View

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  বয়স ৬০ বছর, নিজেকে পরিচয় দিতেন একজন ডাক্তার হিসেবে। এই পরিচয়ে একে একে ১৪টি বিয়ে করেছেন তিনি। অবশেষে ধরা পড়লেন পুলিশের হাতে।  ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। অভিযুক্ত দেশটির ওড়িশা রাজ্যের কেন্দ্রাপড়ার পাতকুড়া থানার বাসিন্দা। তার নাম বিভু প্রকাশ সোয়াইন ওরফে রমেশ সোয়াইন। সোমবার পুলিশ তাকে ভুবনেশ্বর থেকে গ্রেফতার করে।

কে ছিল না তার শিকারের তালিকায়! আইনজীবী, চিকিৎসক, নার্স, আধাসেনায় কর্মরত নারী, এমনকি বেশ কয়েক জন উচ্চশিক্ষিত নারীও। ৪৮ বছরে দিল্লি, পাঞ্জাব, আসাম, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা-সহ সাত রাজ্যে ১৪টি বিয়ে করেন তিনি। অবশেষে ধরা পড়লেন পুলিশের জালে।

বিবাহ-সম্পর্কিত ওয়েরবসাইটগুলোতে নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে নারীদের সঙ্গে আলাপ জমাতেন। শিকার হিসেবে বেছে নিতেন মূলত মাঝবয়সী অবিবাহিত ও তালাকপ্রাপ্ত নারীদের। এভাবে একে একে তার শিকারের ফাঁদে ফেলেন নারী চিকিৎসক, আধাসেনায় কর্মরত মহিলা, আইনজীবী এমনকি উচ্চশিক্ষিত নারীদেরও।

অভিযুক্তের প্রথম শিকার ১৯৮২ সালে। ওই বছরে এক নারীকে বিয়ে করেন তিনি। দ্বিতীয় বিয়ে করেন ২০০২ সালে। 

ভুবনেশ্বরের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ঊমাশঙ্কর দাশ জানিয়েছেন, প্রথম এবং দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রীর মোট পাঁচ সন্তান। ২০০২ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বিবাহ-সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নারীদের সঙ্গে আলাপ জমিয়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করার পর বিয়ে করতেন এবং ঘটনাচক্রে, যতজনকে তিনি বিয়ে করছেন, কেউই তার আগের বিয়ে সম্পর্কে ঘুণাক্ষরেও টের পাননি।

ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, বিয়ে করাই অভিযুক্তের মূল উদ্দেশ্য ছিল না। তার মূল উদ্দেশ্য ছিল চাকরিজীবী নারীদের বিয়ে করে তাদের টাকাপয়সা আত্মসাৎ করা। আর প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি বিয়ের পর স্ত্রীদের টাকা হাতিয়ে পালাতে সক্ষম হন।

কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। পুলিশ জানিয়েছে, গত জুলাইয়ে এক শিক্ষিকা ভুবনেশ্বরে অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ ছিল, এক ব্যক্তি তাকে ২০১৮ সালে দিল্লিতে বিয়ে করে ভুবনেশ্বরে নিয়ে আসেন। ওই ব্যক্তি বেশ কয়েকটি বিয়ে করেছেন এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। শিক্ষিকার অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ। সোমবার অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভুবনেশ্বর থেকে গ্রেফতার করে তারা।

অভিযুক্তের কাছ থেকে ১১টি এটিএম কার্ড, চারটি আধার কার্ড এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, নারীদের ফাঁসিয়ে বিয়ে করে টাকা হাতানো ছাড়াও আরও প্রতারণার কাজে জড়িত ছিলেন অভিযুক্ত। এর আগে যুবকদের চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে হায়দারাবাদে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। সূত্র: ডেইলি ইন্ডিয়াহিন্দুস্তান টাইমসপ্রেসওয়্যার

কিউএনবি/অনিমা/১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১২:০৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit