মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ব্যাংক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দেশ ভারতীয় ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নে যাওয়ার ইঙ্গিত, শাস্তি পেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক শিল্পকলায় ‘কঞ্জুস’ নিয়ন্ত্রণে আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, শনাক্তে থাকবে কিউআর কোড: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া। শার্শায় মসজিদে রাজনৈতিক কর্মসূচির অভিযোগ, মুসল্লিদের ক্ষোভ কীভাবে কর্মসূচি করব বিএনপিকে শেখাতে হবে না: সারজিস আলম বিমানে যাত্রীকে গালাগাল ও হামলার অভিযোগ, সিটে ডাক্ট টেপ দিয়ে আটকালেন যাত্রীরা আগামী অর্থবছরেই চালু হচ্ছে ৮ বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতাল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জামায়াত আমিরের হায়াতে তাইয়েবা, সবরে জামিল আতা ফরমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ্যে চলছে জাটকা নিধন-বিক্রি, নীরব মৎস্য বিভাগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৯০ Time View

 

ডেস্ক নিউজ : ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ১ নভেম্বর থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আট মাস জাটকা আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞাকালীন ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটারের নিচে ইলিশ শিকার করা বেআইনি। কিন্তু এ আইন উপেক্ষা করেই ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে জাটকা নিধনের মহা উৎসব চলছে। নদী থেকে অবৈধ কারেন্টজালসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল দিয়ে জাটকা ধরে ঘাটে এনে ডাকে তুলে বিক্রি করছেন জেলেরা। সেই মাছ বেপারীরা কিনে এনে বিভিন্ন ছোট-বড় বাজারগুলোতে বিক্রি করছেন প্রকাশ্যেই। এ সকল কিছু দেখেও প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ নীরব ভূমিকা পালন করছেন। এতে করে সরকারের ইলিশের উৎপাদনের উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে।

ভোলার বিভিন্ন মাছঘাট ঘুরে দেখা গেছে, জেলার ছোট-বড় প্রতিটি ঘাটেই ইলিশ ও অন্যান্য মাছের মতো জাটকাও ডাকে তুলে বিক্রি করা হচ্ছে। সাইজ অনুযায়ী প্রতি হালি জাটকা ৭০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ডাকে বিক্রি করছেন জেলেরা। ভোলার ইলিশা, কাঠিরমাথা, তুলাতুলিসহ কয়েকটি ঘাটের জেলেদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মা-ইলিশ রক্ষা অভিযান প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে রকম কঠোরভাবে পালন করা হয়, জাটকা অভিযানে সে রকম কঠোরতা নেই। তাই জেলেরা নির্বিঘ্নে জাটকা নিধন করছেন। জাটকা ধরা নিষিদ্ধ হলেও প্রশাসনের ঢিলেঢালা ভাবের কারণেই যে যার মতো জাটকা ধরছেন এবং বিক্রি করছেন।

জেলেরা আরো জানায়, জাটকা অভিযানের আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও মৎস্য অফিস বা প্রশাসনের কোনো লোককে তাঁরা নদীতে বা ঘাটে অভিযান করতে দেখেননি। ভোলা শহরের বাংলাস্কুল মোড়ে মাছ বিক্রি করতে আসা ব্যবসায়ী মো. মনির জানান, ঘাট থেকে ছোট সাইজের জাটকা ৭০-৮০ টাকা ও মিডিয়াম সাইজের জাটকা ৩ থেকে সাড়ে ৩ শ টাকা করে কিনে আনেন। বাজারে বিক্রি করতে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয় কি-না জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, বাজারে জাটকা বিক্রিতে তেমন কোনো সমস্যা হয় না। শুধু বাজারের মহলদার মাঝে মধ্যে আনতে নিষেধ করে। তারপরও নদী থেকে জেলেরা ধরে বিধায় তারা কিনে আনেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভোলার চরফ্যাশনের কজন আড়তদার জানান, জাটকা ধরায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মৎস্য বিভাগ জাটকা সংরক্ষণে নদীতে অভিযান দেয় না। তাই জেলেরা নদী থেকে জাটকা ধরে আড়তে নিয়ে আসে। পরে আড়তদাররা সেগুলো কিনতে বাধ্য হয়। আবার সেই জাটকা বিক্রি করতে মোকামে পাঠানোর সময় কোস্টগার্ডের ঝামেলায় পড়তে হয়। আমরা টাকা দিয়ে মাছ কিনে একদিকে লোকসান দিতে হচ্ছে অন্যদিকে হয়রানিরও শিকার হতে হচ্ছে। এগুলো না করে নদীতে ভালোভাবে অভিযান দিলেই জাটকা ধরা বন্ধ হবে। অন্যথায় সরকারের এ উদ্যোগ কোনো কাজে আসবে না।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম বলেন, জাটকা সংরক্ষণে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। এর মধ্যে কয়েকটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ করা হয়েছে। সেই সাথে নদী থেকে অবৈধ জাল অপসারণের জন্য বিশেষ কম্বিং অপারেশনও চলছে। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও জেলা প্রশাসকের সাথে কথা হয়েছে শিগগিরই ম্যাজিস্ট্রেটসহ ভোলার প্রতিটি যায়গায় জাটকা সংরক্ষণ অভিযান চালানো হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৬:৩৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit