বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আফটারশকের আতঙ্কে ভেনেজুয়েলা, ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খোঁজ হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন সম্প্রসারণের আহ্বান বাংলাদেশের চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সমঝোতা স্মারক সই তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের কঙ্গো ফেরত চিকিৎসকের মাধ্যমে ফ্রান্সে ঢুকলো ইবোলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় মধ্যস্থতা করে পাকিস্তানের লাভ কতটা?

গ্যাসের সংকটে ঢাকা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৩৬ Time View

 

ডেস্ক নিউজ :  সরবরাহ কম। তাই ঢাকা ও আশপাশের জেলায় গ্যাসের চাপও কম। যা আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কোম্পানি। যদিও সূত্রটি বলছে- আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেও গ্যাসের এ সংকট  ঢাকা ও এর আশপাশের মানুষকে ভোগাবে।

এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহের দায়িত্বে থাকা তিতাস গ্যাস কোম্পানি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। যদিও গত দেড় মাস থেকে আবাসিকসহ সিএনজি, শিল্প, বিদ্যুৎ ও বাণিজ্যে গ্যাস সংকট চলছে। 

তিতাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। তিতাসের অধিভুক্ত এলাকাগুলোতে এই স্বল্প চাপ থাকতে পারে। তবে নির্দিষ্ট করে কোনো এলাকায় নয়, সব এলাকাতেই গ্যাস ঘাটতি হতে পারে।

সামিটের এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের সংস্কার কাজের জন্য গ্যাসের ঘাটতি সৃষ্টির শঙ্কা করছে জ্বালানি বিভাগ।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গত বুধবার এক পোস্টে বলা হয়েছে, কারিগরি কারণে ১২ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিতাস গ্যাসের অন্তর্গত এলাকায় গ্যাসের চাপ স্বল্প থাকতে পারে।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) শাহীনুর ইসলাম বলেন, “শেভরনের পরিকল্পনা অনুসারে চলতি মাসের মধ্যেই এ কাজ শেষ হবে।” তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, ওয়ার্কওভার কাজ শেষ হতে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান গণমাধ্যমকে বলেন, “দেশের গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং এলএনজি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় একটা সংকট শুরু হয়েছে। নানা প্রচেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে দুটি কূপ ওয়ার্কওভার করে ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলছে। বিবিয়ানা উৎপাদনে এলে এবং এলএনজি টার্মিনাল চালু হলেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে স্থাপিত সামিটের টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। সক্ষমতার চেয়ে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করছে পেট্রোবাংলা। অন্যদিকে শেভরন বাংলাদেশ পরিচালিত গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানার একটি কূপের ওয়ার্কওভারের কাজ শুরু হয়েছে। এ জন্য প্রতিদিন অন্তত ১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে কম যোগ হচ্ছে।

এ ছাড়া শীতে পাইপলাইনের ভিতর পানি জমে যাওয়ায় গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। এর সঙ্গে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার বিষয়টিও জড়িত।

কিউএনবি/অনিমা/১৪ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ |সকাল ৯:৪৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit