দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের মধ্যে কেবল কিংবদন্তি পেসার ডেল স্টেইনই তার চেয়ে দ্রুত এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন। তিনি ৬৯টি টেস্টে ৩৫০ উইকেট শিকার করেন। রাবাদা এখন সেই কিংবদন্তিদের অভিজাত তালিকায় যুক্ত হলেন, যারা সবচেয়ে কম ম্যাচে টেস্ট ক্রিকেটে ৩৫০ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ফাস্ট বোলারদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি রিচার্ড হ্যাডলি এবং ডেল স্টেইন যৌথভাবে দ্রুততম সময়ে ৩৫০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডটি ধরে রেখেছেন; তারা ৬৯টি ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার ডেনিস লিলি ৭০টি টেস্টে এবং গ্লেন ম্যাকগ্রা ৭৪টি ম্যাচে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। ম্যালকম মার্শাল এবং রাবাদা উভয়েই ৭৫টি টেস্ট খেলে ৩৫০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তবে সামগ্রিক বিশ্ব রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার স্পিন কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালিধরনের দখলে রয়েছেন। তিনি মাত্র ৬৬টি ম্যাচে ৩৫০টি টেস্ট উইকেট শিকার করেছিলেন।
কেপটাউনে রাবাদা আরও দুটি রেকর্ড গড়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি যদি অন্তত পাঁচটি উইকেট নিতে পারেন, তবে তিনি অ্যালান ডোনাল্ডের ৬০২টি টেস্ট উইকেটের রেকর্ড ছাড়িয়ে দেশের হয়ে এই ফরম্যাটে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়ে উঠবেন। আর যদি তিনি ছয়টি উইকেট নিতে সক্ষম হন, তবে রাবাদা ডেল স্টেইনকে ছাড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার হয়ে উঠবেন।
এদিন রাবাদা ম্যাট রেনশকে শূন্য রানে আউট করে আক্রমণের সূচনা করেন। অস্ট্রেলীয় এই ওপেনার বলটি ঠিকমতো খেলতে পারেননি এবং লেগ সাইডের দিকে বলটি তার ব্যাটে লেগে উইকেটরক্ষকের হাতে ধরা পড়ে। একই ওভারে রাবাদা মারনাস লাবুশেনেকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। তিনি চার রানের আউট হয়েছেন।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকান এই পেসার এখানেই থামেননি; নিজের চতুর্থ ওভারে তিনি ট্রাভিস হেডকে (১৪ রান) সাজঘরে ফেরান। হেড একটি ওয়াইড ডেলিভারি ড্রাইভ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু বলটি সরাসরি গালিতে থাকা ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ হিসেবে চলে যায়।