ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে গিডিওন সার সেটিকে ‘অত্যন্ত আপত্তিকর মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, লেবার সরকারের ‘বৈরী পদক্ষেপের’ জবাব দেওয়া ছাড়া তার সামনে আর কোনো পথ ছিল না।
এর আগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এড মিলিব্যান্ড অভিযোগ করেন, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলি সন্ত্রাসীরা জাতিগত নিধন চালাচ্ছে এবং ইসরায়েল সরকার তা দেখেও না দেখার ভান করছে। পশ্চিম তীরের বসতি এলাকা থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়ে মিলিব্যান্ড বলেন, ব্রিটিশ জনগণ চায় না দেশটির দোকানে ইহুদি বসতি এলাকার পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে সমর্থন করা হোক।
এর পরই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ১২ ব্রিটিশ এমপির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন গিডিওন সার। তালিকায় রয়েছেন জেরেমি করবিন, জারা সুলতানা, ফাহাদ আনসারি, নাজ শাহ, ডায়ান অ্যাবট, হান্নাহ স্পেনসার, কার্লা ডেনিয়ার, সিয়ান বেরি, এলি চাওনস, জন ম্যাকডোনেল, রিচার্ড বারগন ও অ্যাড্রিয়ান রামসে।
এ ছাড়া জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ এবং কিরিয়াত গাতের ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রামাল্লায় অবস্থিত ব্রিটিশ সাপোর্ট টিমের অধীনে জুডিয়া ও সামারিয়ায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্রিটিশ কার্যক্রমও বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গিডিওন সার আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইসরায়েলের প্রতি বৈরী মনোভাব প্রদর্শন করে আসছে।
তিনি বলেন, আমি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টি সরকার এবং বিশ্বের প্রতিটি সরকারকে বলতে চাই, যারা মনে করে তারা ইসরায়েলকে নিজেদের জাতীয় ও নিরাপত্তা স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে, তাদের সফল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তথ্য সূত্র- দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।