এবার মাত্র ৩১ সেকেন্ডে গোল করে প্রিমিয়ার লিগ শুরু করেছে চেলসি। আর জোয়াও পেদ্রোর সেই গোলে অ্যাসিস্ট ছিল পামারের। এই ম্যাচের স্কোরলাইনে নাম ছিল তিন ফরোয়ার্ডের। মজা করে বিখ্যাত আমেরিকান ব্যাঙ্ক ‘জে–পি–মর্গ্যান’ নামে অনেকে ডাকছেন চেলসির তিন ফরোয়ার্ডকে। জোয়াও পেদ্রোর ‘জে’, কোল পামারের ‘পি’ এবং মর্গ্যান রজার্সের ‘মর্গ্যান’— এই তিন শব্দকেই মেলাচ্ছেন ভক্তরা। শেষ পর্যায়ে কয়েকটি জটপট প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন পামার। রাবোনা না প্যানেনকা (ফুটবলে দুটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়, শৈল্পিক এবং ঝুঁকিপূর্ণ টেকনিক)— কোন ধরনের গোল করতে চাইবেন? পামারের জবাব, ‘রাবোনা’।
ডেভিড বেকহ্যামের মতো ফ্রি–কিক গোল করতে চান নাকি উড়তে চাইবেন? পামারের জবাব, ‘উড়তে চাইব।’ যদি ফুটবলার না হতেন, তা হলে কী হতেন? পামার বলছেন, ‘ডিজে।’ কোনও ম্যাচে ১–০ জিততে চাইবেন, নাকি ৫–৪? পামারের উত্তর, ‘৫–৪। যদিও এটা ডিফেন্ডাররা পছন্দ করবে না।’ এখনও পর্যন্ত ক্যারিয়ারে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি কী? ‘সম্ভবত ক্লাব বিশ্বকাপ,’ বলেন পামার।





















