স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশের কাছে এক ম্যাচ হেরে বিপাকেই পড়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলা নিয়ে জেগেছে নতুন শঙ্কা। ঘরের মাটিতে এমন হারের পরে অস্ট্রেলিয়া এখন যে কোনো ম্যাচ নিয়ে বেশ সতর্ক। এতটাই যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও বেশ শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে তারা।
২০২৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন লাবুশেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাজে ফর্মের কারণে তাকে এবার বাদ দেওয়া হলো। শুধু ওয়ানডে নয়, টেস্ট দলে তার জায়গাও এখন হুমকির মুখে।
এই মাসে জিম্বাবুয়েতে তিনটি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনটি ওয়ানডে খেলবে অস্ট্রেলিয়া। এরপর অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন টেস্টের সিরিজ খেলবে তারা। এই টেস্ট সিরিজ হবে ডারবান, গেবেখা ও কেপটাউনে। টেস্ট দল পরে ঘোষণা করা হবে।
আগামী বছর বিশ্বকাপ। সেই লক্ষ্য মাথায় রেখেই নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দিচ্ছেন নির্বাচকরা। ১৯ বছর বয়সী প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান পিক এবং দুই অলরাউন্ডার ডেভিস ও কনোলিকে দলে নেওয়া হয়েছে। ডেভিসের বয়স ২২ এবং কনোলির বয়স ২৩।
এর আগে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সফরের ওয়ানডে সিরিজে ছিলেন না মিচেল মার্শ, ট্রাভিস হেড ও জশ হ্যাজলউড। এবার তারা দলে ফিরেছেন। পেসার প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই রাখা হয়েছে। তাদের ওয়ার্কলোড সামলে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।
এছাড়া দলে আরও অনেক পেস বোলিং অপশন রাখা হয়েছে। ১৭ সদস্যের দলে আছেন স্পেন্সার জনসন, নাথান এলিস, জেভিয়ার বার্টলেট এবং বিলি স্ট্যানলেক। স্পিনার হিসেবে দলে আছেন শুধু অ্যাডাম জাম্পা। বাদ পড়েছেন ম্যাথু কুনেমান। এই মাসের শেষে ভারত সফরে যাবে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল। সেখানে দুটি চার দিনের ম্যাচ এবং তিনটি ওয়ানডে খেলবে তারা ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে।
লাবুশেনের টেস্ট জায়গা এখন হুমকির মুখে থাকায় নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ খুঁজবেন পিটার হ্যান্ডসকম্ব ও নাথান ম্যাকসুইনি। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে যাবে অস্ট্রেলিয়ার মূল দল। সেই সফরের আগে এটাই তাদের বড় সুযোগ। দ্রুতগতির বোলার ব্রেন্ডন ডগেট ও জাই রিচার্ডসনও দলে যোগ করবেন বাড়তি গতি।
কিউএনবি/আয়শা/০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/দুপুর ২:০০