আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে ‘সব বিকল্পই খোলা রয়েছে’। বিশেষ করে আমেরিকার অর্থনৈতিক হাতিয়ারগুলো যে অত্যন্ত শক্তিশালী, সে কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। তার এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি (অর্থমন্ত্রী) স্কট বেসেন্ট জানান, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্যই হলো এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে তেহরান নিজেই বাধ্য হয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে।
আমেরিকার এই হিসাব-নিকাশের মাঝেই নিজেদের কঠোর অবস্থান পরিষ্কার করেছে তেহরান। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তাদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী।
সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা যেন নিজেদের মাটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর হামলার সুযোগ না দেয়। যদি এমন কিছু হয়, তবে তার চরম প্রতিশোধ নেওয়া হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা প্রতিবেশীদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো ধরনের আগ্রাসন মেনে নেওয়া হবে না; বরং আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ মাত্রায় জবাব দেওয়া হবে।
যারা যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসনে সহায়তা করছে, তাদের উদ্দেশে ইরান একে ‘চূড়ান্ত সতর্কবার্তা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং সেনাবাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগ্রাসনের উৎসমূলে আঘাত হানবে। বিবৃতিতে কড়া ভাষায় বলা হয়, আপনারা বারবার আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এবং সাহসী ও অদম্য জনগণের দৃঢ়তার পরীক্ষা নিয়েছেন। দয়া করে এই ভুল আর দ্বিতীয়বার করবেন না।
কিউএনবি/অনিমা/০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/সকাল ১০:১৮