স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলা ফুটবলার আল-আমিনকে ১৫ আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। গত জুনে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে মারামারির ঘটনায় এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে তাকে। একই ঘটনায় দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলাম।
নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনা আল-আমিনের জন্য নতুন নয়। ২০২০-২১ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে আরামবাগে খেলেছেন তিনি। আরামবাগ তখন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে নিষিদ্ধ হয়। কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে আল-আমিনও এক বছর নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে’ আয়োজন করেছিল দেশটি। গত ৭ জুন রাতে স্বাগতিক মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ অলিম্পিক দলের বাঁচা–মরার ম্যাচ ছিল সেটি। সেই ম্যাচে শুরু হয় ব্যাপক হট্টগোল। রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয় উত্তেজনা, যা পরে গড়ায় হাতাহাতি ও মারামারিতে। এক পর্যায়ে লাল কার্ড দেখেন বাংলাদেশের আল-আমিন ও মিরাজুল।
যোগ করা সময়ে ঘটনাটির সূত্রপাত হয়েছিল। বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে পড়ে যান মালদ্বীপের হাসান ইনাজ। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন সঙ্গে সঙ্গে মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। সাইড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল ইসলাম। এরপর মাঠের ভেতরে রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে লাল কার্ড পান ফরোয়ার্ড আল-আমিন। ওই সময় রাগ ধরে রাখতে না পেরে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে বসেন তিনি। ওই ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয়।
কিউএনবি/আয়শা/১৮ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৫:১৪