ডেস্ক নিউজ : মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনগুলোতে শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাপকভাবে বদলাবে। প্রধানমন্ত্রী ভ্যালু বেইজড এডুকেশন দেখতে চান। এর মধ্যে সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ রয়েছে। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের ক্রিটিকাল থিংকিং শেখাতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়ায় খেলাধুলাকে যুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে শেখার মধ্যে আনন্দও আনতে হবে। প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে প্রতিটি ক্লাস যদি শিক্ষার্থীরা নিজেরাই পরিষ্কার করে, তাহলে এর মধ্য দিয়ে তারা মূল্যবোধ শিখতে পারবে। ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার কারিকুলামে খেলাধুলা থাকবে, অথচ খেলার মাঠ থাকবে না; তাহলে শিক্ষার্থীরা খেলবে কীভাবে? এজন্য শিক্ষা সংক্রান্ত অবকাঠামোর মধ্যে ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। যারা অবকাঠামো নির্মাণ করেন, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় এনসিটিবির কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। ববি হাজ্জাজ বলেন, গত ২০ বছর সরকার এনসিটিবিকে যেভাবে পরিচালনা করেছে, সেভাবে আর চলতে পারে না। গত ২০ বছর প্রকাশকরা টাকা দিয়ে এনসিটিবিকে পরিচালনা করেছেন।
কিউএনবি/আয়শা/১৮ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৪:০৫