সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সমাজসেবা অধিদপ্তরের ৪ কর্মকর্তার অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন বেকার হয়ে গেলেই মনে হয় পাপ করেছি, পপিকে খোঁচা বাপ্পারাজের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও রংপুরে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ ইমরান খান ইস্যুতে ক্রিকেটারদের সতর্ক করল পিসিবি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ৩৯ বছর এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ল পাকিস্তান দেব-শুভশ্রীর ‘দেশু ৭’ টিজার প্রকাশ, তাতেই বিক্রি ৭ হাজার গোল্ডেন টিকিট পাইলটের বেশে বিমানবন্দরে তৌসিফ, যাত্রীদের অবাক করা কৌতূহল! দুই মাসের সফরে আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৫৭ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন সূর্যবংশী

‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে গণকবর দেওয়া হয়েছে এবং একটি হাসপাতাল থেকে অনেক মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি জানান, বর্তমানে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের এবং ভাসিয়ে দেওয়া ও গণকবরে থাকা মরদেহের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। এগুলো শনাক্ত হলো শহীদের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়া আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করেছেন প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে চিফ প্রসিকিউটর সেখানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। 

চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের তালিকায় এ পর্যন্ত সরকারি গেজেটে ৮৬৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে এর বাইরেও বহু মরদেহ গণকবর ও নদীতে পাওয়া গেছে, যা এখনো তালিকায় যুক্ত হয়নি।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাইয়ে গণকবর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো শনাক্ত করার কাজ চলছে। জুরাইন, মাতুয়াইল, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে গণকবর আছে। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সেখানে থাকা শহীদদের লাশ আমরা শনাক্তের কাজ করছি। ইতিমধ্যে কিছু রিপোর্টও পেয়েছি। গণকবরে যাদের দাফন করা হয়েছে, তারা গেজেটে এখনও যুক্ত হননি। এছাড়া একটি হাসপাতাল থেকে নদীতেও অনেক লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে, তাদেরও পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। গণকবর ও নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া বাকি শহীদদের শনাক্তের কাজ শেষ হলে মোট শহীদের সংখ্যা এক হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

গণহত্যার বিচার প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই গণহত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, তারা যতো প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর আলামত নষ্ট ও লাশ গুম করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছিলো, তদন্তের মাধ্যমে তার সবটুকুই বের করে আনা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলে শহীদ পরিবারগুলোকে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়া কারো কাছে জুলাই গণহত্যা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য থাকলে তা প্রসিকিউশনকে দিয়ে সহায়তা করারও আহ্বান জানান তিনি।

কিউএনবি/অনিমা/১৫ জুলাই ২০২৬,/দুপুর ২:৪৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit