আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক আদালতের রায়কে সমর্থন জানিয়েছে ১৪টি দেশ। তবে এই সমর্থনকে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, ওই রায়টি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তা মানতে তারা বাধ্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ সম্প্রতি একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। তারা ২০১৬ সালের রায়টিকে ‘চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক’ বলে উল্লেখ করেছে। দেশগুলোর মতে, এই সাগরে চীনের বিশাল সামুদ্রিক দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
রবিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটার কড়া সমালোচনা করেছে। বেইজিং জানিয়েছে , দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি বৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে মানানসই। আন্তর্জাতিক আদালত যে রায় দিয়েছিল তা বাতিল ও ভিত্তিহীন। বেইজিং কখনোই এই রায় মানবে না।
যৌথ বিবৃতিতে অন্য দেশের বৈধ কার্যক্রমে চীনের কোস্টগার্ড, সামরিক ও মিলিশিয়া বাহিনীর বাধা দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। জবাবে চীন বিশেষ করে বিবৃতিতে জাপানের অন্তর্ভুক্তির সমালোচনা করেছে। চীন বলেছে, এই সাগরের বিষয়ে মন্তব্য করার বা বিচার করার কোনো অধিকার জাপানের নেই।
দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত একটি নৌপথ। এর পুরোটাই বা আংশিক মালিকানা নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই ও তাইওয়ানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। নতুন এই বিবৃতির ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও স্পষ্ট হলো।
কিউএনবি/অনিমা/১৩ জুলাই ২০২৬,/সকাল ১০:০০