রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ২০ Time View
ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার সকালের অধিবেশনের শুরুতে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এ সফরের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নের পক্ষে এই সফর ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। সফরে দেশের নিরাপত্তা প্রশ্নে বিশ্ববাসীরও দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে জাতি ত্যাগ ও তিতিক্ষার বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, এরপর বহু কঠিন সময় অতিক্রম করতে হয়েছে। অতীতে এমন সরকারও ছিল যারা স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি।

স্পিকার বলেন, বর্তমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের ফলে দেশবাসী আশান্বিত হয়েছেন এবং সাধারণ মানুষও সফরটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।

প্রস্তাব উত্থাপন করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং পারস্পরিক মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, সফরকালে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়া ও ফিরে আসার সময় জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি বন্ধ করে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আলোচনায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা-পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব প্রতিফলন। তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার, জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং চীনের সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য ভারসাম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারের প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা করবে। 

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। ভবিষ্যতে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি সংসদে উপস্থাপন করা হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে এবং সংসদকেই রাষ্ট্রের সকল গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে।

কিউএনবি/অনিমা/২৭ জুন ২০২৬,/রাত ৮:৫৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit