রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

কীভাবে ট্রিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন ইলন মাস্ক

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ১৯ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক, যিনি স্পেসএক্স, টেসলা এবং এক্স (সাবেক টুইটার)-এর প্রধান, তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হয়েছেন। ট্রিলিয়ন ডলার মানে হলো এক হাজার বিলিয়ন ডলার। ১ সংখ্যার পর ১২টি শূন্য বসালে হয় এক ট্রিলিয়ন। যাকে বাংলায় বলা যেতে পারে এক লাখ কোটি।

বেশ কিছু সময় ধরে মাস্ক বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন, অথবা অন্তত সেই অবস্থানের কাছাকাছি ছিলেন। ফোর্বস-এর মতে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে অর্ধ-ট্রিলিয়ন ডলার (৫০০ বিলিয়ন) নিট সম্পদ অর্জন করেন।

এক মাস পরে, টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা তার জন্য একটি রেকর্ড গড়া পারিশ্রমিক প্যাকেজ অনুমোদন করেন, যার সম্ভাব্য মূল্য এক ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।

কিন্তু ২০২৬ সালের জুনে, তার রকেট নির্মাতা ও স্যাটেলাইট অপারেটর কোম্পানি স্পেসএক্স- যেটির মালিকানায় এক্স, গ্রক এবং স্টারলিংকও রয়েছে, সেটি পাবলিক হওয়ার পর মাস্কের নিট সম্পদ বিলিয়ন থেকে ট্রিলিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

তবে তিনি শুধু বিপুল সম্পদের জন্যই পরিচিত নন। স্পেসএক্স-এর প্রধান হিসেবে তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সমসাময়িক নানা বিষয় থেকে মানবজাতির ভবিষ্যৎ পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় রাজনীতিতে তার সম্পৃক্ততা বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী হতে সহায়তা করা, যা কিছু বিনিয়োগকারীর অসন্তোষের কারণও হয়েছে।

তার মতামত এবং এক্স কীভাবে জনমত ও আলোচনাকে প্রভাবিত করছে, তা নিয়ে সরকারপ্রধান ও রাজনীতিবিদদের সমালোচনার মুখেও পড়েন।

ইলন মাস্কের জন্ম কোথায়?

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় জন্ম নেওয়া মাস্ক ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়িক দক্ষতার পরিচয় দেন। তিনি ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘরে তৈরি চকলেট ইস্টার ডিম বিক্রি করতেন এবং ১২ বছর বয়সে নিজের প্রথম কম্পিউটার গেম তৈরি করেন।

তিনি তার শৈশবকে কঠিন বলে উল্লেখ করেছেন, যা বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ, স্কুলে বুলিং বা হয়রানি এবং অ্যাসপারগার সিনড্রোম-এর কারণে সামাজিক সংকেত বোঝার অসুবিধার কারণে প্রভাবিত ছিল।

সুযোগ পাওয়ামাত্র তিনি পড়াশোনার জন্য বাড়ি ছাড়েন। প্রথমে কানাডা, তারপর যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান, যেখানে তিনি পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও পদার্থবিদ্যায় পড়েন।

২০১০ সালে ম্যারি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনে লেখা একটি প্রবন্ধে, তার প্রথম স্ত্রী জাস্টিন মাস্ক, যার সাথে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচিত হন এবং ২০০০ সালে বিয়ে করেন, লিখেছিলেন, বিপুল অর্থ উপার্জনের আগেই মাস্ক ছিলেন “না-কে কখনও মেনে না নেওয়া একজন মানুষ”।

“প্রতিযোগিতা এবং আধিপত্য বিস্তারের ইচ্ছা, যা তাকে ব্যবসায় সফল করেছে, ঘরে ফেরার পরও তা থেমে যেত না,” বলেছিলেন জাস্টিন। তিনি জানান, বিয়ের নাচের সময় মাস্ক তাকে বলেছিলেন, “এই সম্পর্কে আমিই আলফা”, অর্থাৎ ইলন মাস্ক নিজেকেই প্রধান বা প্রভাবশালী মনে করেছেন।

সম্পদ তৈরি করলেন কীভাবে?

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যার স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার পর মাস্ক দ্রুতই তা ছেড়ে দেন এবং ১৯৯০-এর দশকে দুটি প্রযুক্তি স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠা করেন।

এর মধ্যে ছিল একটি ওয়েব সফটওয়্যার কোম্পানি এবং একটি অনলাইন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান, যা পরে পেপ্যালে পরিণত হয় এবং ২০০২ সালে ই-বে’র এর কাছে ১.৫ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়।

তিনি সেই অর্থ বিনিয়োগ করেন স্পেসএক্সে যা নাসার তুলনায় কম খরচে বিকল্প তৈরির লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। একইসঙ্গে তিনি অর্থ বিনিয়োগ করেন টেসলায়, যেখানে তিনি ২০০৮ সালে প্রধান নির্বাহী হন।

এই দুই কোম্পানি তাদের নিজ নিজ শিল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে, যদিও মাঝে মাঝে এগুলো আর্থিক সংকটের কাছাকাছিও পৌঁছেছিল।

ইলন মাস্কের অন্যান্য ব্যবসায়িক উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে সামাজিক মাধ্যম টুইটার অধিগ্রহণ।

তার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো এক্স-কে একটি “সবকিছুর অ্যাপ” হিসেবে গড়ে তোলা যা বিভিন্ন ধরনের সেবা এক জায়গায় এনে দেবে। তবে বিভিন্ন অনুমান অনুযায়ী, মাস্ক যখন কিনছিলেন তখন কোম্পানিটির মূল্য ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছিল যা এখন ৯.৪ বিলিয়নে নেমেছে।

কিছু প্রতিষ্ঠান প্ল্যাটফর্মটি ছেড়ে যায়। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস্কের নেতৃত্বে এক্স-এ ঘৃণামূলক বক্তব্য বেড়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে চায় না।

তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতেও আগ্রহী। চ্যাটজিপিটি- এর মূল কোম্পানিতে প্রাথমিক বিনিয়োগকারী ছিলেন মাস্ক, তবে ২০১৮ সালে পৃথক হয়ে যান এবং ২০২৩ সালে এক্সএআই প্রতিষ্ঠা করেন, যার লক্ষ্য “মহাবিশ্বের প্রকৃত স্বরূপ বোঝা”।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ওপেনএইআই এবং এর প্রধান স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করেন, অভিযোগ করেন যে প্রতিষ্ঠানটি তার অলাভজনক ও ওপেন সোর্স ভিত্তি থেকে সরে গেছে। তবে ২০২৬ সালের মে মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার এক জুরি তার মামলা খারিজ করে দেয়।

সাংবাদিক ক্রিস স্টকেল ওয়াকার বলেন, “আমি কখনোই পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারি না যে তিনি আগামীকাল কী করতে চান তা জানেন। তিনি মূলত অন্তর্দৃষ্টির ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যান।”

২০১৫ সালের একটি জীবনীতে লেখক অ্যাশলি ভ্যান্স তাকে “বিতর্কপ্রবণ সবজান্তা” এবং “প্রচুর অহংবোধসম্পন্ন” হিসেবে বর্ণনা করেন। তাকে নাচের ক্ষেত্রে ‘অস্বস্তিকর’ এবং বক্তা হিসেবে ‘অনিশ্চিত’ও বলা হয়েছে।

গণমাধ্যমে তাকে কখনও ‘উন্মাদ প্রতিভা’, কখনও ‘এক্স-এর বড় ট্রোল’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনবার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে ইলন মস্কের। এর মধ্যে ব্রিটিশ অভিনেত্রী টালুলাহ রাইলির সঙ্গেই বিচ্ছেদ হয়েছে দু’বার। মাস্ক নিজের ত্রুটি সম্পর্কে অবশ্য বেশ খোলামেলা।

২০২২ সালে টেড-এ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “যদি আমার পাপগুলো তালিকাভুক্ত করেন, তাহলে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ মনে হব। কিন্তু আমি যা ভালো কাজ করেছি সেগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে, এগুলোকে অনেক বেশি অর্থবহ মনে হয়।”

মাস্কের নিট সম্পদের পরিমাণ কত?

ব্যক্তিগত নানা বৈপরীত্য ইলন মাস্কের বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে অর্ধ-ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি নিট সম্পদ অর্জন করেন বলে জানিয়েছিল ফোর্বস।

তিনি সম্পদের দিক থেকে গুগল-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন, ওরাকলের ল্যালি এলিসন, অ্যামাজনের জেফ বেজোস এবং ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গের মতো ধনকুবেরদের চেয়েও সামনে এগিয়ে রয়েছেন।

স্পেসএক্স পাবলিক কোম্পানি হওয়ায় তার সম্পদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলস্বরূপ, ব্লুমবার্গ এবং ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী মাস্কের নিট সম্পদ এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে।

ব্লুমবার্গের হিসাবে বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ এক দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন।

তবে তার সম্পদের বড় অংশ স্পেসএক্সের শেয়ারের সঙ্গে যুক্ত, ফলে শেয়ারের দাম কমে গেলে তার ট্রিলিয়নেয়ার মর্যাদা পরিবর্তিত হতে পারে।

টেসলা থেকেও তিনি বিপুল অর্থ পেতে পারেন, যদি নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ করেন, যার মধ্যে রয়েছে কোম্পানির মূল্য আটগুণ বৃদ্ধি, ১০ লাখ এইআই রোবট বিক্রি এবং এক কোটি ২০ লাখ টেসলা গাড়ি বিক্রি।

২০২৪ সাল জুড়ে মাস্ক টেসলার কাছ থেকে ৫৬ বিলিয়ন ডলারের একটি পারিশ্রমিক প্যাকেজ নিয়ে আইনি লড়াইয়ে লিপ্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ডেলাওয়্যারের একজন বিচারক দ্বিতীয়বারের মতো তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন, কিন্তু ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ডেলাওয়্যার সুপ্রিম কোর্ট প্যাকেজটি পুনর্বহাল করে।

মাস্ক ডিজিটাল মুদ্রারও সমর্থক এবং টানেল নির্মাতা দ্য বোরিং কোম্পানিসহ আরও বেশ কয়েকটি ছোট কোম্পানিতে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তিনি নিজেকে একজন ‘কাজপাগল’ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন, প্রায়শই বলেন যে তিনি শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য ব্যবসা করেন না।

তার বন্ধু এবং টেসলার বিনিয়োগকারী রস গার্বার বলেন, “ইলন কেবল তখনই কোনো বিষয়ে জড়িত হন, যখন তিনি মনে করেন যে সেটি কোনো কারণে… সমাজ বা মানবতার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মাস্কের রাজনৈতিক মতাদর্শ কী?

২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া মাস্ক দীর্ঘদিন নিজেকে “অর্ধেক ডেমোক্র্যাট, অর্ধেক রিপাবলিকান”, “রাজনৈতিকভাবে মধ্যপন্থি” এবং “স্বতন্ত্র” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটন এবং অনিচ্ছাসত্ত্বেও জো বাইডেনকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন এবং ২০২৪ সালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দেন।

তিনি ডেমোক্র্যাটদের বিভিন্ন নীতি, যেমন অর্থনীতি, অভিবাসন এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সমালোচনা করেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ‘ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট ইমার্জেন্সি’ পরিচালনার দায়িত্ব পান। এই উদ্যোগটি সরকারি ব্যয়ে ব্যাপক কাটছাঁট করে, যা নিয়ে বিতর্ক হয়।

তবে পরে কর ও ব্যয় সংক্রান্ত বিরোধ থেকে ট্রাম্প ও মাস্কের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ সৃষ্টি হয়।

২০২৫ সালের ২৮শে মে মাস্ক হোয়াইট হাউস ছাড়ার ঘোষণা দেন এবং কিছুদিন পর তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। যদিও পরে কিছুটা সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে মাস্ক যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতেও আগ্রহ দেখিয়েছেন।

তিনি এক্স-কে ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ে স্যার কিয়ের স্টারমারের লেবার সরকারের সমালোচনা করেছেন। আবার ডানপন্থি কিছু নেতার সঙ্গেও নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন।

তার নানা মন্তব্য বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার মুখে পড়েছে।

এদিকে, অতীতে মাস্ক তার ব্যবসাগুলোকে দাতব্য কাজের একটি রূপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, কারণ এগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের মতো মানবিক সমস্যার সমাধানে কাজ করে।

তবে পরে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তার অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন করেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়েও তিনি সতর্কতা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, এটি মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হতে পারে।

তিনি বলেন, এআই-এর অগ্রগতি এবং জন্মহার হ্রাস একসঙ্গে “মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ার” ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ইলন মাস্কের কতজন সন্তান?

ইলন মাস্কের ১৪ সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম স্ত্রীর গর্ভে ছয় জন, কানাডিয় সংগীতশিল্পী ক্লেয়ার এলিস বুশে বা গ্রাইমসের সঙ্গে তিন সন্তান, নিউরোলিংক নির্বাহী শিভন জিলিসের সঙ্গে চার সন্তান এবং ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাশলি সেইন্ট ক্লেয়ারের থেকে এক সন্তান।

জিলিসের সঙ্গে যমজ সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর তিনি লিখেছিলেন, “জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি”।

অন্যদিকে সেইন্ট ক্লেয়ার, যিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সন্তানের জন্মের কথা জানান, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মাস্কের কোম্পানি এক্সএআই-এর বিরুদ্ধে মামলা করেন, অভিযোগ করেন যে গ্রক ব্যবহার করে তার যৌনতাযুক্ত ডিপফেক তৈরি করা হয়েছে।

কিউএনবি/অনিমা/১৩.০৬.২০২৬/বিকাল ৪.২৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit