রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইসিতে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিল বিএনপি জাতীয় জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে বেশি দিন রাজনীতি করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল বিতর্ক এড়াতে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালে ৭ দেশের রেফারি যুবদলের সাবেক সহসভাপতির মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের শোক ওমরাহ পালনে শীর্ষে ৩ দেশ ‘ইতিহাস তো আগেই তৈরি হয়ে গেছে’— ফাইনালের আগে মেসির বার্তা গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়া হবে : বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ামালদের জয় কামনা করছেন গাজার ফুটবল ভক্তরা! চূড়ান্ত পর্যায়ে নতুন বেতন কাঠামো গেজেট বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের হিসাবের গরমিল, তদন্তে মার্কিন ওয়াচডগ কমিটি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৫২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি এবং আপত্তিকে নস্যাৎ করে দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে চলা মার্কিন সামরিক অভিযানের ওপর যৌথ তদারকি ও পর্যালোচনা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের তিন শীর্ষ ওয়াচডগ সংস্থা। পেন্টাগন, স্টেট ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র দফতর) এবং ইউএসএআইডি-এর ইন্সপেক্টর জেনারেলরা (আইজি) বুধবার এক যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। 

মার্কিন আইন অনুযায়ী, দেশের বাইরে যেকোনো সামরিক অভিযান বা যুদ্ধ ৬০ দিনের বেশি স্থায়ী হলে তার চুলচেরা বিশ্লেষণ ও তদন্ত করা বাধ্যতামূলক। ওয়াচডগ সংস্থাগুলোর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। কারণ, এর মাধ্যমে আইনিভাবে এটিই প্রমাণিত হলো যে—গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ ইতোমধ্যে ৬০ দিনের সময়সীমা পার করে ফেলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট’ বা যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের আগাম অনুমোদন ছাড়া দেশের প্রেসিডেন্ট কোনো মার্কিন সেনাকে ৬০ দিনের বেশি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে বা বৈরী পরিস্থিতিতে মোতায়েন রাখতে পারেন না। ইরানবিরোধী এই সামরিক অভিযান, যার অফিশিয়াল কোডনেম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’, সেটির জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কখনোই কংগ্রেসের কাছে এমন কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চায়নি। গত মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করায় যুদ্ধের সেই ৬০ দিনের সময়সীমা (ক্লক) আবার নতুন করে অর্থাৎ শূন্য থেকে শুরু হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই ব্যাখ্যাকে আইনগতভাবে স্বীকৃতি দেয়নি ওয়াচডগ সংস্থাগুলো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওই দাবির কয়েক দিন পরেই, গত ১২ মে পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেল প্ল্যাট বি. মোরিং (তৃতীয়)-কে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র প্রধান ইন্সপেক্টর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় ‘কাউন্সিল অব দ্য ইন্সপেক্টরস জেনারেল অন ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড এফিসিয়েন্সি’। প্রশাসনের দাবি এবং প্রধান তদন্তকারীর নিয়োগের এই স্পষ্ট বৈপরীত্য বা অসংগতি নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও সেখান থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও চলতি সপ্তাহে দাবি করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ ‘শেষ’ হয়ে গেছে। তবে বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। খোদ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পরও গত কয়েক দিনে মার্কিন ও ইরানি বাহিনী একে অপরের ওপর দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ফলে যুদ্ধ শেষের সরকারি দাবিকে পাশ কাটিয়ে সামরিক ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সাংবিধানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এখন যৌথ তদন্তে নামল মার্কিন ওয়াচডগগুলো।

সূত্র: সিএনএন

কিউএনবি/অনিমা/০৪.০৬.২০২৬/দুপুর ১.০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit