রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মারা গেছেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় নরসিংদীতে দোয়া মাহফিল পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ ঢুকতে দেওয়া হবে না : ইরান অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেও নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার অনলাইন অর্ডারেই হোম ডেলিভারি মিলছে মরণঘাতী দেশীয় অস্ত্র মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপিন্সের ৪ পাইলট নিহত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে মিথ্যাচার করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী গাজীপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

কুয়েতে নজিরবিহীন হামলা: চরম আতঙ্কে জিসিসি দেশগুলো

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ৫৭ Time View

ডেস্কনিউজঃ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা শুধু কুয়েতের নিরাপত্তার জন্যই নয়, বরং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের বেসামরিক বিমান চলাচল ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।

নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকদের ভাষ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এটিই সবচেয়ে তীব্র, দ্রুতগতির এবং সমন্বিত হামলার ঘটনা। শুধু বর্তমান যুদ্ধবিরতির সময়কাল নয়, আগের যুদ্ধবিরতির পরও এত বড় মাত্রার হামলা দেখা যায়নি।

তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে কুয়েতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছিল। এবারও একইভাবে কুয়েতকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলায় ইরান থেকে কুয়েতের দিকে ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৭টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হামলার ধরন ও ব্যবহৃত অস্ত্রের সংখ্যা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাতের শুরুর দিকে দেখা হামলাগুলোর সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। ফলে শুধু কুয়েত নয়, পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়েই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কুয়েত বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো বিশ্বব্যাপী বিমান যোগাযোগ ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এ ধরনের হামলা বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলতে পারে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশ এখন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, জাতীয় বিমান সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলো আগামী ২৪ ঘণ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে।

তাদের মতে, কুয়েতে হামলার পর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের বিমানবন্দর নিরাপত্তা এবং আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করতে পারে।

পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি ঘটে, তাহলে তা শুধু সামরিক উত্তেজনাই বাড়াবে না, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিমান পরিবহন, জ্বালানি বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নতুন এক আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের দিকে এগোচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

কিউএনবি/বিপুল/০৩.০৬.২০২৬/রাত ৯.৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit