রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এর সভাপতিত্বে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা এ বিষয়ে কথা বলেন। সংসদে অশোভন আচরণের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের সময় ট্রেজারি বেঞ্চের সম্মানিত কিছু সদস্যের অশালীন অঙ্গভঙ্গি আমার বিবেকে আঘাত করেছে। আমি চার-পাঁচবার নির্বাচিত হওয়া সদস্যদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করিনি। আমরা প্রথম দিনই বলেছিলাম, এখানে একটি ভালো সংস্কৃতির চর্চা হোক।
কিন্তু বারবার বলার পরও এমন আচরণ দুঃখজনক এবং আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি বলেন, সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে কথা বলার সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তা উদ্বেগের। বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য অনুযায়ী স্পিকার সকলকে সংসদীয় শিষ্টাচার বজায় রাখার এবং কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী আলোচনার পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।
এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম নতুন সদস্যদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলেন, সংসদে ২২০ জন নতুন সদস্য আছেন। তারা তাদের নির্বাচনী এলাকা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে চান। কিন্তু অনেকেই বারবার সুযোগ পেলেও, কেউ কেউ একবারও কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না।
চিফ হুইপ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, যিনি নোটিশ আগে দেবেন, তারটা যেন সিরিয়াল অনুযায়ী আগে আসে। বিষয়টি যদি কিছুদিন অনুসরণ করা হয়, তবে নতুন সদস্যরা উৎসাহ পাবেন এবং সংসদ আরও প্রাণবন্ত হবে।