বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিস্তৃত হচ্ছে যুদ্ধ? বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বানাচ্ছে সৌদি আরব, ছাড়িয়ে যাবে বুর্জ খলিফা টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা পিএসসির ৮ ক্যাটাগরির ৩১ জুলাইয়ের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কারিগরি বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার লতিফ সিদ্দিকী ওয়ানডেতে নেতৃত্ব হারালেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক লিটন দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে

রেফারির মৃত্যুর পর উন্মোচিত কোটি টাকার সম্পদের রহস্য

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৪ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : গত বছরের জুনে ৬৫ বছর বয়সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন রেনি। মৃত্যুকালে পরিবারের জন্য রেখে গেছেন প্রায় ১২ লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড (১.২৮ মিলিয়ন পাউন্ড) মূল্যের সম্পদ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। সম্প্রতি প্রকাশিত নথিতে এ তথ্য জানা গেছে।  উইল না রেখে যাওয়ায় তার সম্পত্তি সরাসরি ভাগ হয়েছে সঙ্গী জেইন ও দুই সন্তানের মধ্যে।

জামাইকায় জন্ম নেওয়া রেনি ছোটবেলায় পরিবারসহ ইংল্যান্ডের শেফিল্ডে বসবাস শুরু করেন। সেখান থেকেই গড়ে ওঠে তার জীবন ও ক্যারিয়ার। প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রেফারি হিসেবে ১৯৯৭ সালে প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ পরিচালনার মাধ্যমে ইতিহাস গড়েন তিনি। ডার্বি কাউন্টি ও উইম্বলেডনের মধ্যকার ম্যাচ দিয়েই শুরু হয় তার যাত্রা। পরবর্তী এক দশকে ৩০০-র বেশি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের দক্ষতার জন্য।

শুধু ফুটবলেই নয়, সমাজসেবাতেও ছিলেন সমান সক্রিয়। ১৯৯৬ সাল থেকেই শেফিল্ডে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পাশাপাশি দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারের বিভিন্ন যুব উন্নয়ন কর্মসূচিতে যুক্ত থেকে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করেছেন। জীবনের শেষদিকে কঠিন শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হন রেনি। ২০২৪ সালে এক বিরল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হয়ে কোমর থেকে নিচের অংশ সাময়িকভাবে অবশ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থেকে পুনর্বাসন নিতে হয়েছে তাকে। সে সময় এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এক মাস পুরোপুরি শুয়ে ছিলাম, এরপর চার মাস বসে থাকতে হয়েছে। হাঁটা শেখাটাই যেন নতুন করে শুরু করতে হয়েছে।’

জীবনের শেষ প্রান্তে শেফিল্ড হ্যালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াটা ছিল তার অবদানের বড় স্বীকৃতি। যদিও শারীরিক অবস্থার কারণে পূর্ণভাবে দায়িত্ব নিতে পারেননি। তার মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত শেষকৃত্যে শত শত মানুষ উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জানান। ফুটবল অঙ্গন থেকে শুরু করে সমাজের নানা স্তরের মানুষ তাকে স্মরণ করেছেন  একজন পথপ্রদর্শক, ন্যায়পরায়ণ কর্মকর্তা এবং অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে। ইংলিশ ফুটবলে বর্ণবৈষম্যের দেয়াল ভেঙে পথ দেখানো থেকে শুরু করে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব; সব মিলিয়ে উরিয়াহ রেনির জীবন এক অনন্য উদাহরণ। মাঠে তার দৃঢ় উপস্থিতি আর মাঠের বাইরে মানবিক অবদান, তিনি থেকে যাবেন স্মৃতিতে দীর্ঘদিন।

 

কিউএনবি/আয়শা/১৮ এপ্রিল ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:২২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit