বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে কর আরোপের পরিকল্পনা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ Time View

ডেস্ক নিউজ : দেশের রাজস্ব আয় বাড়াতে এবং ধনিক শ্রেণির ওপর করের বোঝা সুষম করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিদ্যমান সারচার্জের পরিবর্তে আবারও ‘সম্পদ কর’ চালু এবং প্রথমবারের মতো উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ওপর ‘ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স’ আরোপের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এই পরিকল্পনার কথা জানান। এনবিআর চেয়ারম্যানের সভাপতিত্ব সভায় নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) সভাপতি ও মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াবের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
এ ছাড়া দেশের একটি গণমাধ্যমর সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান সহ অন্যান্য সংবাদপত্রের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন। এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে এই কর প্রচলিত রয়েছে। বাংলাদেশে বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশন এলাকার উচ্চমূল্যের সম্পত্তি যখন পরবর্তী প্রজন্মের কাছে হস্তান্তরিত হবে, তখন এই কর আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্পত্তির মিউটেশন বা নামজারি করার আগেই এই কর পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক হতে পারে।
এর ফলে বিপুল পরিমাণ অলস সম্পদ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। বর্তমানে নিট সম্পদের ওপর যে সারচার্জ নেওয়া হয়, তার পরিবর্তে সরাসরি ‘ওয়েলথ ট্যাক্স’ বা সম্পদ কর চালুর চিন্তা করছে সরকার। এনবিআর চেয়ারম্যানের মতে, আয়করের বাইরে সম্পদশালীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের এটি একটি কার্যকর মাধ্যম হবে।
এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। দুর্নীতি ও ফাঁকফোকর বন্ধ করা গেলে এই প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। চেয়ারম্যান বলেন, কাস্টমস খাতে ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন জোরদার করা হচ্ছে। জাতীয় সিঙ্গেল উইন্ডো চালুর পাশাপাশি তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং এটি কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমও স্বয়ংক্রিয় করা হয়েছে।
বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের এক্সেসরিজ ও ডাইভার্সিফায়েড এক্সপোর্টারদের ইউটিলাইজেশন পারমিট এখন অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে। অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ম্যানুয়াল পদ্ধতি বন্ধ করার কথাও জানান তিনি। ভ্যাটের ক্ষেত্রে ঝুঁকিভিত্তিক ২০টি অডিট মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আয়কর খাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে শতভাগ অনলাইন রিটার্ন ব্যবস্থা চালু হবে বলে জানান তিনি।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ এপ্রিল ২০২৬,/রাত ১০:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit