প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর আসামি জাহিদ অন্তুকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই কে এম রাশিদুর রহমান। আসামির পক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুনানি করবেন বলে আদালতকে জানান। আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে জামিন শুনানির দিন বৃহস্পতিবার ধার্য করেছেন।’বুধবার সকালে গুলশান এভিনিউ থেকে জাহিদ অন্তুকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান তদন্ত কর্মকর্তা রাশিদুর রহমান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বছর টিএসসিতে গিটার ক্লাস চলাকালে জাহিদের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে তাদের বিচ্ছেদ হয়, যোগাযোগ বন্ধ হয়। জাহিদের বাসায় একটি পণ্যের ফটোশুটের কথা ছিল। ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার দিকে জাহিদ তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে কথা হয় এবং বাসায় যেতে বলে। সন্ধ্যায় গুলশানের জাহিদের বাসায় যান ওই ছাত্রী।
বাসায় যাওয়ার পর জাহিদ যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানি করে। এতে বাধা দিলে জাহিদ তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। ফলে তার মুখ, গলা ও মাথায় জখম হয়। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে স্বজনদের সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী গুলশান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার হন জাহিদ।