শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পুরুষদের জন্য ‘গর্ভনিরোধক’ আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, চেম্বার সভাপতির প্রশংসা সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ: শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের ৪৪তম অধিবেশন শুরু এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মেলানিয়া ট্রাম্প লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু ‘বিএনপির ভেতর রাজাকার নেই, সব জামায়াতে’ মির্জা ফখরুলের নামে ফটোকার্ডের বিষয়ে যা জানা গেল বিরোধী দল কি শিক্ষার্থীদের হত্যা করে লাশের রাজনীতি করতে চায়: রাশেদ খাঁন দেশের অর্থনীতিকে অগ্রসর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: অর্থমন্ত্রী

চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি, যেভাবে ব্যর্থ হয় অপসারণের চেষ্টা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬১ Time View

ডেস্ক নিউজ : ‍রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ১৮ মাস বঙ্গভবনে কেমন ছিলেন, কী করেছেন, কীভাবেই বা তার সময় কেটেছে, তার একটা চাঞ্চল্যকর বয়ান উপস্থাপন করেছেন জাতির সামনে। তিনি বলেছেন, দেড় বছর কোনো আলোচনায় তিনি ছিলেন না। অথচ তাকে নিয়ে চলেছে নানা চক্রান্ত। 

জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।

সাক্ষাৎকারে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করার যে সব পাঁয়তারা চলছিল তাও উল্লেখ করেছেন তিনি। তার বর্ণনায়- তিনি সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। অসাংবিধানিক উপায়ে প্রেসিডেন্টকে উপড়ে ফেলার অনেক ছক তৈরি করা হয়েছিল। একে একে সবকটা ব্যর্থ হয়েছে। কঠিন সময়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব আমার পাশে ছিল। তারা সংবিধানের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছিলেন আমাকে।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আমার মনের মধ্যে অনেক কৌতূহল ছিল। কিন্তু আমি পর্যায়ক্রমে বুঝতে পারলাম- তিনি খুবই আন্তরিকতাপূর্ণ মানুষ। দুঃসময়ে বিএনপির সহযোগিতা ছিল শতভাগ। এছাড়া সশস্ত্রবাহিনীর পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সমর্থন দেয়া হয়। 

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের উদ্যোগ কেন নেয়া হয়েছিল- এর ভেতরের গল্পও টেনে এনেছেন সাক্ষাৎকারে। তিনি বলেছেন, মূলত গণঅভ্যুত্থানের কিছু নেতার চাপে আমাকে অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিছু রাজনৈতিক দল এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারও তাদের সঙ্গে সুর মেলায়। যদিও এ নিয়ে দুটি গ্রুপ হয়ে যায়। গ্রুপে গ্রুপে মিটিংও হয়, আলোচনা চলে। বিভিন্ন দল ও জোটের কাছে তারা যায়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি এমনই দাঁড়ালো- মেজরিটি হয়ে গেলেই আমাকে অপসারণ করা হবে। আমার মনোবল ভেঙে যাবে। তখন আমাকে পদত্যাগের জন্য বলবে। কিন্তু বিএনপির উচ্চপদে আসীন নেতা আমাকে বারবার আশ্বস্ত করেছিলেন- আমরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করবই। আমরা প্রেসিডেন্টকে অপসারণের পক্ষে নই। তখন জোট সঙ্গীদের একটা গ্রুপ হয়ে যায়। তাদের উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। এসবই হয়েছে বিএনপি ও তাদের জোটের কারণে। 

প্রশ্ন ছিল আপনি কি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন? জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, ওই পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের কাছ থেকে কোনো ফোন পাননি। কোনো যোগাযোগই ছিল না। ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরাও বলতে গেলে আমার পাশেই ছিলেন। তারা চাননি এভাবে আমি অপসারিত হই। 

সাহাবুদ্দিন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সংবিধানের কোনো বিধান মেনে চলেননি। সংবিধানে বলা আছে উনি যখনই বিদেশ সফরে যাবেন সেখান থেকে ফিরে এসে প্রেসিডেন্টকে জানাবেন- কী আলোচনা হলো বা কী চুক্তি হলো, তা লিখিতভাবে বলার কথা। ১৪-১৫ বার বিদেশ গেলেন, একবারও আমাকে জানাননি। তার আমলে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছে। সেসব বিষয়ে আমাকে জানানো হয়নি। যদিও অনেক অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়। 

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, ড. ইউনূস তার সঙ্গে কোনো স্বাভাবিক সম্পর্কও রাখেননি। একবারের জন্যও বঙ্গভবনে যাননি। সম্পূর্ণভাবে আড়ালে রাখার চেষ্টা করে গেছেন। আমার দুইবার বিদেশ সফর আটকে দিয়েছেন। আমার প্রেস উইং পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। দুজন ফটোগ্রাফার ছিল তাদেরকেও পাওয়া গেল না। বলতে পারেন একদম প্রতিবন্ধী করে দিল। 

তিনি আরও বলেছেন, আমি প্রেসিডেন্ট হয়ে কেবিনেট সেক্রেটারিকে বারবার ফোন করেছি। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে বলেছি, জনপ্রসাশন সচিবকে বলেছি। কিন্তু কেউই পাত্তা দেননি।

কিউএনবি/অনিমা/২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৪:৫৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit