সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন

ডিম খাওয়া কী সবার জন্য নিরাপদ?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক :

ডিমকে বলা হয় প্রোটিন ও পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সম্পূর্ণ খাবার। সকালের নাশতা থেকে শুরু করে বিকেলের খাবার কিংবা নানা ধরনের রান্নায় ডিমের ব্যবহার ব্যাপক। স্বল্প খরচে সহজলভ্য এই খাবারটি স্বাস্থ্যকর হলেও সবার জন্য ডিম খাওয়া যে সমানভাবে নিরাপদ, তা নয়। বিশেষ কিছু শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের ক্ষেত্রে ডিম খাওয়া ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরলের মাত্রা তুলনামূলক বেশি। যাদের শরীরে আগে থেকেই কোলেস্টেরলের সমস্যা রয়েছে, তারা নিয়মিত বা অতিরিক্ত ডিম খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। ধমনিতে চর্বি জমে যাওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে, যা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।
এ ছাড়া ডিমে থাকা প্রোটিনের কারণে অনেকের শরীরে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডিম খাওয়ার পর চামড়ায় ফুসকুড়ি, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে ডিম খাওয়া বন্ধ করা জরুরি।
ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রেও ডিম খাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ডিম গ্রহণ করলে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এতে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে এবং জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে।
যাদের গ্যাস্ট্রিক বা পাকস্থলীর সমস্যা রয়েছে, তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই ডিম হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। ডিম খাওয়ার পর বুকজ্বালা, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা কিংবা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে কাঁচা বা অল্প সেদ্ধ ডিম এই সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয় বলে চিকিৎসকদের মত।
লিভার বা কিডনির রোগে ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্যও ডিম খাওয়া সতর্কতার সঙ্গে করা প্রয়োজন। ডিমে থাকা অতিরিক্ত প্রোটিন ও কোলেস্টেরল লিভার ও কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে এসব অঙ্গের কার্যক্ষমতা আরও দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডিম নিঃসন্দেহে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার, তবে তা অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। সাধারণভাবে সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচটি ডিম অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্য নিরাপদ বলে মনে করা হয়। তবে যাদের কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, অ্যালার্জি কিংবা লিভার ও কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।কিউএনবি/আয়শা/২৪ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ১০:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit