মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সংকটের দশ বছর: রোহিঙ্গাদের ফেরার অপেক্ষা শেষ কোথায় ? বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত? চীনা পণ্য ও মার্কিন নীতি: ট্রান্সশিপমেন্টকে ‘প্রতারণা’ বলছে যুক্তরাষ্ট্র, নজরে সিঙ্গাপুর রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ফুলহ্যামকে হারাল চেলসি, দ্রুততম গোলে রেকর্ড পালমারদের আশ্রয়প্রার্থীদের ২ লাখ ভিসা বাতিল করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন ইরান ‘পুরোপুরি ধসে পড়ছে’: ট্রাম্প মানবসম্পদ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করবে সিঙ্গাপুর-ইকুয়েডর সিরিয়ায় ‘ব্যারেল বোমা মুফতি’র যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভারতের বিপক্ষে আফগানদের নেতৃত্বে ইব্রাহিম জাদরান বুদ্ধিমত্তার সাথে সমুদ্রে জরুরি অবতরণ, প্রশংসায় ভাসছেন মার্কিন তরুণ পাইলট

মদন উপজেলায় হত্যা মামলার চার্জশীট দেয়নি

শান্তা ইসলাম জেলা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৩ Time View

শান্তা ইসলাম জেলা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মদন উপজেলার বারবুড়ি গ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত ঘটনা আটমাস অতিক্রান্ত হলেও মামলার চার্জশীট দাখিল করতে পারেনি মদন থানা পুলিশ। দীর্ঘসূত্রতা ও আসামীদের হুমকির কথা উল্লেখ করে নিহতের বড় ভাই ও মামলার বাদী আবুল বায়েছ সোমবার(১৯ জানুয়ারি) পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন।

মামলার এজাহার ও আবেদনের সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১মে পারিবারিক বিরোধের জেরে একটি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে অভিযুক্ত মানিক মিয়া লাহুত মিয়াকে পিটিয়ে বল্লম দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই ঘটনায় অন্যান্য অভিযুক্তদের আঘাতে আশদ আলী সহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় লাহুত ও আশদ আলীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আশদ আলী চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠলেও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ মে লাহুত মিয়া মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুতে ময়মনসিংহ কোতয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবুল বায়েছ বাদী হয়ে মদন থানায় ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১২ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৭ মে মদন থানা পুলিশ মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে এসআই গোলাম রসুলকে নিয়োগ করে।

মামলাটির তদন্তে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চার্জশীট দাখিল না হওয়ায় প্রধান আসামি মানিক মিয়া ছাড়া অন্যান্য আসামিরা বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্তি পান। মামলার বাদী আবুল বায়েছ অভিযোগ করে বলেন, চার্জশীট না থাকায় জামিনে মুক্ত আসামিরা আমাকে এবং মামলার সাক্ষীদের মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রকাশ্যে ও পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করছে। একই সঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলার প্রধান আসামিদের নাম বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এতে তিনি রাজি না হওয়ায় তদন্তে ইচ্ছাকৃত বিলম্ব করা হচ্ছে বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন,প্রকাশ্য দিবালোকে জনসম্মুখে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের চার্জশীট দিতে এত দীর্ঘ সময় নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম রসুল বলেন,ঘটনাটি প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হলেও মামলায় ৩৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কার আঘাতে নিহত হয়েছেন,তা নিরূপণে তদন্তে সময় লাগছে। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

খুব শীঘ্রই চার্জশীট দাখিল করা হবে। মদন থানার ওসি হাসনাত জামান বলেন,একটি হত্যা মামলায় প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সময় প্রয়োজন হয়। মামলাটি তদন্তের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই চার্জশীট দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম বলেন,মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুব শীঘ্রই চার্জশীট প্রদান করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ জানুয়ারী ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit