সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‘নয়ন ভরা জল গো তোমার’ নজরুলসংগীত গেয়ে ভাইরাল ফরিদপুরের ‘লাইলী খালা’ ‘হোম ইকোনমিক্স’-এর চলচ্চিত্র সংস্করণে জুলিয়া রবার্টস ‘ব্যাকরুমস’-এর মুক্তির তারিখ পেছাল টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের ১০ জনই ফেরিওয়ালা ব্যাচভিত্তিক গ্রুপিং, ‘ট্যাগিং’ আর ফেসবুক অপপ্রচার : ভুল সিদ্ধান্তে পুলিশ প্রশাসনে অসন্তোষ জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ জনের মৃত্যু লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি স্থানীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না করার পরিকল্পনা ইসির দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জি কে শামীমের খালাসের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন..

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০ Time View

নিউজ ডেক্সঃ  অর্থ পাচারের মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ঠিকাদার ও সাবেক যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের খালাসের রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রোববার (১৭ আগস্ট) আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।

এর আগে ৭ আগস্ট অর্থ পাচারের মামলায় ১০ বছরের সাজা থেকে আলোচিত ঠিকাদার ও সাবেক যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে খালাস দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। তার আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি করে বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মবিন ও বিচারপতি জাবিদ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে জি কে শামীমের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হেমায়েত উল্লাহ। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দ্রুতই আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করব।

এর আগে ২০২৩ সালের ১৭ জুলাই অর্থ পাচার আইনের মামলায় আলোচিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন অধস্তন আদালত। এ ছাড়া তার সাত দেহরক্ষীকে চার বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তাদের ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮১৪ টাকা জরিমানা করা হয়। ৬০ দিনের মধ্যে এ জরিমানা পরিশোধ না করলে তাদের আরও এক বছরের সাজা ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেছিলেন, ‘অস্ত্রবাজ, টেন্ডারবাজ ও অর্থ পাচারকারীদের কোনো আদর্শ নেই। তারা কোনো আদর্শ লালন করে না। তবে আদর্শকে ব্যবহার করে রাতারাতি অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করে এবং দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়। তারা দেশ ও জাতির শত্রু। দেশের চলমান উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থে তাদের সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।’ পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন জি কে শামীম। গতকাল আপিলের ওপর রায় দেন হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, ১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ও মদ জব্দ করে। পরে ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর র‌্যাব-১-এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান গুলশান থানায় অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন। ২০২০ সালের ৪ আগস্ট সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড আবু সাঈদ আটজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেন। পরে ২০২৩ সালে আদালতে জি কে শামীমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হেমায়েত উল্লাহ। এরপর ২০২৩ সালের ১৭ জুলাই রায় দেন বিচারিক আদালত। এর আগে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

অনলাইন নিউজ ডেক্সঃ
কুইক এন ভি/রাজ/১৭ আগস্ট ২০২৫/ দুপুরঃ ০১.৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit