দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনেরর ৫ (২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে এফডিআর, আসবাবপত্র, এবং হাতে নগদ ও ব্যাংক স্থিতি ইত্যাদিসহ মোট ৬.৭৮ কোটি টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। আর স্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে ৫৪.৩৯ কোটি টাকার।
সে হিসাবে তার স্থাবর ও অস্থাবর মোট সম্পদের পরিমাণ ৬১.১৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে তার ব্যয় হয়েছে ২৮.৭৬ লাখ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ১.৩২ কোটি টাকার। দুদক মহাপরিচালক জানান, ‘তিনি (সজীব ওয়াজেদ জয়) সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক অসৎ উদ্দেশ্যে অসাধু উপায়ে অর্জিত জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন ৬০.১৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে।’