মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

সালাহউদ্দিন আহমেদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ—-

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫০ Time View

জালাল আহমদ : বাংলাদেশের রাজনীতির কালো মেঘ কে দীর্ঘায়িত করতে বিএনপির ক‍্যারিশম‍্যাটিক নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ কে ভারতে নির্বাসনে রাখা হয়েছিল! ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং শহরে নির্বাসিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ৯ বছর পর দেশে ফিরেছেন গতবছরের ১১ আগস্ট । আজ ১১ আগস্ট সালাহউদ্দিন আহমদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের এক বছর পূর্তি।

আসামি হিসেবে নয়, নির্বাসিত রাজবন্দি হিসেবে ‘রাজকীয়’ বেশে দেশে ফিরবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ ।শেষ পর্যন্ত তিনি এই কথা রেখেছিলেন। দেশের রাজনীতির কালো মেঘ কে দীর্ঘায়িত করতে ভারতে নির্বাসনে রাখা হয়েছিল বিএনপির শীর্ষ ক‍্যারিশম‍্যাটিক নেতা কে :

নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা আন্দোলনের ‍‍`মুখপাত্র’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বিএনপির তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদ ।

গোপনে অজ্ঞাত স্থান থেকে ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে তিনি আন্দোলন ‍‍`চাঙ্গ’ রেখেছিলেন। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাঁকে আটকের জন্য খোঁজাখুঁজি করেছিলেন। গোয়েন্দা তৎপরতা টের পেয়েই উত্তরার এক বন্ধুর বাসায় আশ্রয় নেন।সেখান থেকে ২০১৫ সালের ১০ মার্চ বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অপহরণ করেন।

তাঁকে ‘গুম’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তাঁর স্ত্রী ও সাবেক এমপি হাসিনা আহমদ ।পরবর্তীতে দুই মাস পর ২০১৫ সালের ১১ মে তাকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং শহরের গলফ লিংক মাঠে ‘মানসিক বিপর্যস্ত’ অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে। সালাহউদ্দিন আহমদের ভাষ্য উত্তরার এক বন্ধুর বাসা থেকে তাঁকে চোখ বেঁধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ‘পরিচয়’ দিয়ে গুম করা হয়।

১১ মে সকালে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শিলং পুলিশ স্টেশনে পুলিশের কাছে যান তিনি। পুলিশ তাকে ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’ দেখে প্রথমে শিলং মানসিক হাসপাতালে,পরে শিলং সিভিল হাসপাতালে এবং সর্বশেষ শিলং শহরের বিশেষায়িত হাসপাতাল নিমগ্রিসে ভর্তি করান। মানসিক অসুস্থতার কোন ‘লক্ষণ’ পান নি চিকিৎসকরা। মেঘালয় রাজ্যের পুলিশ ২০১৫ সালের ৩ জুন ভারতে অবৈধ প্রবেশের অভিযোগ এনে বৈদেশিক নাগরিক আইনের ১৪ ধারায় সালাহ উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে প্রথমে শিলং জেলে এবং পরে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শিলং শহর ছেড়ে না যাওয়ার শর্তে বিজ্ঞ আদালত পরে সালাহ উদ্দিন আহমদকে জামিন প্রদান করেন। ৯ বছর ধরে খাসিয়া খ্রিষ্টান অধ্যুষিত এলাকা শিলং শহরে ‘সানরাইজ গেস্ট হাউজ’ নামক একটি দোতলা ভাড়া বাড়িতে তিনি বসবাস করছেন।অথচ সম্প্রতি ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য সালাহউদ্দিন আহমদ ভারতের বিলাসবহুল হোটেলে আরামদায়ক জীবনযাপন করেছেন বলে “শব্দবোমা”ফাটিয়েছেন।

আমি আজ থেকে ৭/৮ বছর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের ৩য় সপ্তাহে কোন এক শুক্রবারে ভারতে গিয়েছিলাম আমার রাজনৈতিক অভিভাবকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ।কাজেই আমি নিজের চোখে দেখলাম তিনি নির্জন একটি হোটেলে একাকিত্বে রয়েছেন। নিজেই মাঝেমধ্যে পরটা- ডিম ভাঁজা করে খাইতেন।

মেঘালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত করে ২০১৫ সালের ২২ জুলাই মামলার চার্জশিট দেয়া হয়। এই মামলায় ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর সালাহউদ্দিন আহমদকে বেকসুর খালাস প্রদান করে শিলং আদালতের প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ডিজি খার সিং রায় ঘোষণা করেন। প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের এই রায়ে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি’কে সালাহ উদ্দিন আহমদকে দ্রুততম সময়ে সমস্ত রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে হস্তান্তর করার জন্য নির্দেশ দেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ যখন আদালতের রায় অনুযায়ী সে দেশের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন ভারতের সরকার বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জজ আদালতে আপিল করেন। জজ কোর্টের রায়েও ২০২৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে খালাস পেয়েছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে তার পাসপোর্টের মেয়াদ না থাকায় বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তিনি হাতে পেয়েছিলেন ট্রাভেল পারমিট।এর মেয়াদ ছিল তিন মাস।এই সময়ে ট্রাভেল পারমিট নিয়ে দিল্লীতে গিয়ে চিকিৎসার কাজ সম্পন্ন করেন তিনি। ২০২৩
সালের ৭ সেপ্টেম্বর মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

২০১৮ সালে তিনি যখন ভারতের বিচারিক আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছিলেন, তখন মেঘালয় রাজ্য সরকার তাঁকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কে চিঠি দিয়েছিল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জবাব দেয়নি। ‍‍`কেন্দ্রীয় সরকারের’ অনুমোদন না পেলে মেঘালয় রাজ্য সরকার কোনো বিদেশিকে নিজ দেশে পাঠিয়ে দিতে পারে না। কারণ ফেডারেল সরকার ব্যবস্থায় পররাষ্ট্র, অর্থ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থাকে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

মেঘালয় সরকার এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিল এভাবেই ‘উপরোল্লিখিত হাই প্রোফাইল’ বাংলাদেশিকে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জবাব দেয়নি।এর পেছনে বাংলাদেশ বাংলাদেশ সরকারের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ তাঁর সমথর্কদের।

গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে গেলে সালাহউদ্দিন আহমদের দেশে ফেরার চাবি খুলে যায়। দেশে ফেরার জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি মিলে। গত বছরের ১১ আগস্ট রবিবার সকাল ১১টা ১০ মিনিটে দিল্লী থেকে ভারতীয় বিমানে (এআই২২৭) উঠে দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

আমি সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কয়েকশ শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি কক্সবাজার থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী এসেছেন তাদের প্রিয় নেতা কে দেখতে।

বাংলাদেশের রাজনীতির কালো মেঘ কে দীর্ঘায়িত করতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে নির্বাসনে রাখা হয়েছিল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমার প্রাণপ্রিয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ কে।কারণ তিনি একজন সফল ছাত্রনেতা থেকে ধারাবাহিকভাবে এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দলের মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হলে আওয়ামী লীগের পতন অনিবার্য ছিল বলে মনে করতেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। ফলে তিনি গুমের শিকার হয়েছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন:

কক্সবাজারের পেকুয়ার সন্তান সালাহউদ্দিন আহমদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে অধ্যয়নকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য , তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি সহ ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আশির দশকে এরশাদের রোষানলে পড়ে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন অনেকবার। ৬ষ্ঠ বিসিএস পরীক্ষায় ১৯৮৫ সালে অংশ নিয়ে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বিসিএস (প্রশাসন) চাকরিতে যোগদান করেন। বগুড়া জেলা প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসাবে দায়িত্বপালনকালে ১৯৯১ সালে তিনি তৎকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসাবে যোগ দেন।তিনি ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। সালাহ উদ্দিন আহমদ তখন থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে নেমে পড়েন।

এরপর ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।অষ্টম সংসদ নির্বাচনের পর চারদলীয় জোট বেগম খালেদা জিয়া’র নেতৃত্বে সরকার গঠন করলে সালাহ উদ্দিন আহমদ ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার ‘ইনচার্জ মিনিস্টার’ হিসাবেও দায়িত্বপালন করেন তিনি। ২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল বৃহত্তর চকরিয়া উপজেলা কে ভেঙে ‘পেকুয়া’ নামক একটি আলাদা উপজেলা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেন সরকারের আমলে দুই বছরের বেশী সময় ধরে কারাগারে বন্দী থেকে ২০০৯ সালের মার্চে তিনি কারামুক্ত হন।

সালাহ উদ্দিন আহমেদ কারাগারে থাকাবস্থায় সাজাপ্রাপ্ত হলে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার সহধর্মিনী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদ কক্সবাজার-১ আসনে চারদলীয় জোটের মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে প্রায় ৩৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সালাহ উদ্দিন আহমদ ১৯৯৬ সালে প্রথমে কক্সবাজার কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এবং পরে পর পর দু’বার কাউন্সিলের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপি’র জাতীয় কাউন্সিলে সালাহ উদ্দিন আহমদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।

নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে ২০১৩ সালের মার্চে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় জোটের ডাকা আন্দোলনের ‘মুখপাত্র’ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদ আটক হয়ে তিন মাস কারাবন্দি ছিলেন। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিএনপির কঠোর আন্দোলনের সময় তিনি আন্দোলনের ‘মুখপাত্র’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি ।২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

ভারতে নির্বাসিত থাকাবস্থায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বিএনপির ভবিষ্যৎ মহাসচিব হিসেবে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে।

“রাজনীতির কালো মেঘ নির্মূলে মেঘালয় থেকে ফেরা গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালার এক বছর কেমন ছিলো:

বাংলাদেশের রাজনীতির কালো মেঘ কে দীর্ঘায়িত করতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে নির্বাসনে রাখা হয়েছিল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমার প্রাণপ্রিয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ কে। দেশে ফেরার পর থেকে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আলোচনা সভার সংলাপে- রাজপথের সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মতবিনিময় পর্যায়ে বিএনপির পক্ষে কথা বলেছেন।তিনি সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবগুলোর সমর্থন, অসঙ্গতি ও দ্বিমত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও নির্বাচনী কাঠামোর গুরুত্ব নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন।পাশাপাশি, রাজনৈতিক সংস্কারের সঙ্গে মানসিক ও সাংস্কৃতিক সংস্কারের অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেছেন।

নির্বাচনের রোডম্যাপ আদায়ে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক সমাবেশে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন।

বাংলাদেশের রাজনীতির কালো মেঘ নির্মূলে মেঘালয় থেকে ফিরে গণতন্ত্রের এই ফেরিওয়ালার গত এক বছরের কার্যক্রম, জ্ঞান গর্ভ আলোচনা এবং রাজনৈতিক ডায়লগ
ছিল টপ অফ দ্য কান্ট্রি।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১১ আগস্ট ২০২৫/রাত ১১:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit