বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মোজতবা খামেনি জীবিত এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ‘পরোক্ষভাবে সক্রিয়’ সাংহাই উৎসবে জায়গা পেল বাংলাদেশি সিনেমা শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির আত্মপক্ষ শুনানি আজ নোলানের ছবির জন্য ‌‘স্পাইডার-ম্যানের’ শুটিং পেছাতে অনুরোধ করেন টম হল্যান্ড জর্ডানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা সকালে খালিপেটে কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খাচ্ছেন? জেনে নিন উপকারিতা হরমুজ খুলে দিলেও ইরানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নয়: যুক্তরাষ্ট্র সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন স্পিকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১টি দল নয় ডিসেম্বরে নির্বাচন চায় দেশপ্রেমিক সব গণতান্ত্রিক দল: ১২ দলীয় জোট

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫
  • ৫৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : এ বছরের ডিসেম্বরে একটি দল নয়, দেশের সকল দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায় বলে মন্তব্য করেছে ১২ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ। তারা বলছেন এ বছরের ডিসেম্বরে কেবল একটি দল নয়, দেশের সকল দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায়। একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই দেশের মুক্তি ও উন্নতির অভিমুখ নিশ্চিত করে। বারবার তা প্রমাণিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। জাপান সফররত প্রধান উপদেষ্টা, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিক্কেই ফোরামে যোগ দিতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন ডিসেম্বরে মাত্র একটি দল নির্বাচন চায়।

এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘এককথায় নিরেট মিথ্যাচার করেছেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ইউনূস। কেবল একটি দলই নয়, দেশের সকল গণতন্ত্রপন্থি দলগুলো স্পষ্টভাবে গত নয় মাস ধরে ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছে। বরং তিনি নিজেই কিছু মৌলবাদী, জনসমর্থনহীন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক দলকে পাশে নিয়ে নির্বাচনের প্রশ্নটিকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছেন।’

১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ বলেন আমরা ১২ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দফায় দফায় এবছরের জুনের মধ্যেই নির্বাচনের কথা বলেছি। দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো সভা, সমাবেশ, সেমিনার, বক্তব্য, বিবৃতি এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বারবার এই কথা উচ্চারণ করেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হয়তো ভুলে যাচ্ছেন তিনি কথার মারপ্যাঁচ দিয়ে তার গদি রক্ষা করতে পারবেন না। পদত্যাগের নাটক করেও পারবেন না। বাংলাদেশের জনগণ তার নাটকবাজি বুঝে গেছেন।’

সম্প্রতি অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রধান ডক্টর ইউনূস যে সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সঙ্গে বৈঠক করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই স্বৈরাচারী সরকারের পদলেহনকারী এবং স্বৈরাচারী হাসিনার আচলের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। আমি, তুমি ও ডামি নির্বাচন প্রতিরোধে তাদের ন্যূনতম কোন ভূমিকা ছিল না ভোট বর্জনের ব্যাপারেও তারা ছিলেন নীরব। এমনকি জুলাই আগস্ট এর ছাত্র জনতার আন্দোলনে তাদের কোন ভূমিকা ছিল না। নিজের পায়ে চলতে পারে না এমন অনেক জনসম্পর্কবিহীন নেতৃত্বকে ডেকে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এবং গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী দল ও নেতৃবৃন্দকে অপমান করেছেন। অবজ্ঞা করেছেন। তার এই অশোভন আচরণে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত দল এবং নেতৃবৃন্দ ব্যথিত এবং দুঃখিত।

‘বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে, ১৯৯০ সালে, এমনকি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে জীবনক্ষয়ী সংগ্রাম করেছে, তার মূলে ছিল ভোট ও নির্বাচন’ উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘তিনি কূটকৌশলে ক্ষমতা প্রলম্বিত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হবে, তিনি ভিন্ন কোনও কিছু অর্জনের উদ্দেশে ভোট ও নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চাইছেন। আর তার সঙ্গে রয়েছেন কয়েকজন উপদেষ্টা।’

১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন করা সম্ভব। দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও নানাভাবে বিষয়টি সামনে এসেছে। আমরা চাই দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়া তিনি পূরণ করবেন। তাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তী কাজ করার জন্য, স্থায়ী কোনও কাজ নয়। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া, ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচন করতে হবে। আগে প্রয়োজন নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা। পাশাপাশি চলবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিচার। ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া চলমান হয়েছে।’

‘অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে দেশ মহাসংকটের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য’ প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান ১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘অন্যথা দেশের মানুষই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তখন তিনি মৌলবাদী ও জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলকে পাশে পাবেন না। তার পরিণতি যেন আফগানিস্তানের পালিয়ে যাওয়া মোহাম্মদ আশরাফ গনি আহমদজাইয়ের মতো না হয়।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রকিব, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এম এ মান্নান, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপির) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন।

কিউএনবি/অনিমা/৩০ মে ২০২৫, /বিকাল ৪:৫৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit