বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলবাড়ীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওধুধ রাখায় জরিমানা ‘পুলিশ হত্যার বিচার শুরু হলে বাংলাদেশ লণ্ডভণ্ড করে দিব’ আসিফ মাহমুদের এ বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেল টাকা ছাপাতে চাই না, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে: অর্থমন্ত্রী কাতারের তেলের ট্যাংকারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হলেন ফখর জামান হরমুজ প্রণালী খুলতে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সঙ্গে জোট গঠনের প্রস্তুতি আরব আমিরাতের মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, পেলেন পাশে থাকার আশ্বাস মালিঙ্গার রেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেন জাদেজা বিয়ে করেছেন সিমরিন লুবাবা

ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপে বাংলাদেশিদের প্রবেশ বেড়েছে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫
  • ৮৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চলতি বছরের প্রথম দুই মাস জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ২৫ শতাংশ কমে প্রায় ২৫ হাজারে নেমেছে। ইউরোপে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী প্রবেশের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয় মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় রুট। এই রুটে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী প্রবেশ করে বাংলাদেশিরা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাজের বৈধতা দেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের চুক্তি হয় দালালদের সঙ্গে। তারপর এসব অভিবাসপ্রত্যাশীদের ঠেলে দেয়া হয় বিপজ্জনক পথে। এসব তথ্য দিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সীমান্ত বিষয়ক এজেন্সি ফ্রোনটেক্স।

এতে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি অভিবাসী ইউরোপে যান মালি, সেনেগাল এবং গিনি থেকে। জাতিগত দিক থেকে সবচেয়ে বেশি অভিবাসীর দিক দিয়ে আছে যথাক্রমে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং মালি।

গত দুই মাসে সবচেয়ে বেশি অবৈধ অভিবাসী প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমাঞ্চলীয় বলকানদের মধ্যে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর শতকরা ৬৪ ভাগ কম অভিবাসী প্রবেশের চেষ্টা করেছেন এ অঞ্চল থেকে। মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় রুটে অভিবাসী প্রবেশ বেড়েছে শতকরা ৪৮ ভাগ। তবে ২০২৩ সালের তুলনায় এই সংখ্যা এখন অনেক কম। ২০২৩ সালে এই পথে ইউরোপে গিয়েছেন ১২ হাজার মানুষ। অন্যদিকে এ বছর সে সংখ্যা ৬৮৬৩। এসব সত্ত্বেও এ রুটই এখন ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশের দ্বিতীয় বৃহৎ সক্রিয় রুট। এই রুট পরিচালনা করে লিবিয়ার পাচারকারীরা।

এই রুটে ইউরোপ যেতে হলে প্রতিজন অভিবাসীকে ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার ইউরো দিতে হয়। পশ্চিম আফ্রিকান রুটে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী গিয়েছে। তাদের সংখ্যা ৭১৮২। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা শতকরা ৪০ ভাগ কম। এই রুটে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী যান মালি, সেনেগাল ও গিনি থেকে। তৃতীয় করিডোর হিসেবে ব্যবহৃত হয় ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চল। সেখানে রেকর্ড করা হয়েছে ৬৫০০ অভিবাসী। আগের বছরের তুলনায় এই রুটে অভিবাসীর সংখ্যা কমেছে শতকরা ৩৫ ভাগ। শীতকালের কারণে এই রুটে ধীরে ধীরে কমেছে অভিবাসীর সংখ্যা। ফেব্রুয়ারিতে সেখানে নিবন্ধিত করা হয়েছে ২৭৫০ অভিবাসীকে। এই পথে বেশি অবৈধ অভিবাসী যান আফগানিস্তান, মিশর ও সুদান থেকে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ধারণা, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সমুদ্রে ২৪৮ জন মারা গেছেন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩০০ জন।

এদিকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করা অভিবাসন প্রত্যাশীদের সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় ২৮ শতাংশ কমেছে। 

ফ্রন্টেক্স ইউরোপের সীমান্ত রক্ষায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে। ইইউ সীমান্ত ২ হাজার ৯০০ কর্মকর্তা মোতায়েন করেছে ফ্রান্টেক্স।

কিউএনবি/অনিমা/১৫ মার্চ ২০২৫,/সন্ধ্যা ৭:৫৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit