বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চাঁদা তোলা হাতির শুড়ের আঘাতে ইজিবাইক উল্টে শিশু নিহত, মাহুতকে গণপিটুনি অস্ট্রেলিয়া সিরিজ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং কারাগারেই স্টুডিও, বন্দিদের গান ছড়াচ্ছে বিশ্বজুড়ে মানসিক ক্লান্তি দূর করতে ২০ লাখ ডলারের তহবিল ফেরালেন টেক প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৩ বছরের জন্য এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন সুদিনে ও দুর্দিনে মুমিনের করণীয় কী? তুরস্ককে ‘এফ-৩৫’ দেওয়া নিয়ে নেতানিয়াহুর আপত্তি উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে পৌঁছালেন নেতানিয়াহু রাঙামাটিতে কাপ্তাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি নাসিরুদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার বাংলাদেশে শুটিংয়ে এসে তিক্ত অভিজ্ঞতা নোরা ফাতেহির, কপিলের রসিকতা

যে মাজারে মানত করলেই পূরণ হয় মনোবাসনা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫
  • ৮০ Time View
রানীশংকৈল প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে রয়েছে ইতিহাস ঐতিহ্য আর অগণিত পীর আউলিয়ার মাজার। এরমধ্যে অন্যতম হলো শিয়াল গাজির ২২ হাত লম্বা পীরের মাজার। এখানে যে কেউ মানত করলেই পূরণ হয় মনোবাসনা। কয়েক বিঘা জমি জুড়ে রয়েছে গোরস্থান,রয়েছে একটি পুকুর তার পাশে ২২ হাত লম্বা একটি কবর ।এই কবরটিই মূলত গাজি পীরের মাজার। ইতিহাসের সাক্ষী এই মাজারের প্রকৃত বয়স আজ অবধি কেউ বলতে পারে না। কেউ কেউ ধারণা করছে পাঁচ শত বছরের পুরনো আবার কেউ বলছে হাজার বছরের পুরনো এই মাজার । তবে এই পীরের জন্ম মৃত্যুর সঠিক তথ্য কারো জানা নেই। বছরের পর বছর ধরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম এভাবেই মনের বিশ্বাস নিয়ে সুফল পাওয়ার আশায় মানত করে চলছে এই মাজারটিতে । মাজারটি দেখভাল করার জন্য রয়েছে একজন খাদেম, তিনি মাজারটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখেন। এবিষয়ে ঐ মাজারের খাদেম মেহরাব আলী বলেন আগে এই মাজারটি আমার বাবা দেখভাল করতো তারপর আমার বড় ভাই এরপর এখন আমি দেখাশোনা করছি ।

কথিত আছে এখানে যে কেউ সন্তান, চাকুরী, ব্যবসা,বিয়ে সাদী সহ যে কোন মানত করলে তা পূরণ হয়। যাদের মনোবাসনা পূর্ণ হয় তারা এখানে পরবর্তীতে গরু ছাগল দিয়ে মিলাদ মাহফিল করে এলাকার মানুষজনকে খাওয়ায় । আবার কেউ কেউ টাকা পয়সাও দিয়ে থাকেন এখানে । পথচারী আবুল বলেন এটি একটা জ্যান্ত মাজার এখানে অনেক লোকজন আসে প্রতিদিন। যে যার মতো করে মানত করে চলে যায়। এবিষয়ে পুকুরের মালিক মোহাম্মদ আলী বলেন এই কবরটি আমার জন্মের পর থেকেই দেখছি এটা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানিরা এখানে ঘাঁটি নির্মাণ করেছিলো, পুরো এলাকাটি জঙ্গল ছিলো এই জঙ্গলের ভীতরে এই কবরটি ছিলো । তখন কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা কবরটির পাশে প্রসাব করলে তাদের ঐদিন রাতেই নাকেমুখে রক্ত বের হয় পরদিন তারা ক্যাম্প ছেড়ে দিয়ে পুরো কবরটি ইট দিয়ে নির্মাণ করে লাল কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয় । পূর্বে কেউ এটা দেখভাল করতো কিনা তা জানিনা তবে এটা এখন অনেক প্রসিদ্ধ অনেকেই এখানে মানত করতে আসে ।এবিষয়ে লেহেম্বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন ” এই মাজারটি আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি। পাকিস্তানিরা এটাকে ইট দিয়ে নির্মাণ করে দিয়ে গেছেন অনেকেই মানছে অনেকেই মানছে না যেহেতু ইসলাম মাজার সমর্থন করে না সেহেতু সবাই এটাকে গ্রহণ করে না । যাদের ইচ্ছে হচ্ছে তারা যাচ্ছে।
কিউএনবি/অনিমা/০১ মার্চ ২০২৫,/সন্ধ্যা ৭:২৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit