বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সেনেগালের কোচ হলেন সাবেক ফরাসি মিডফিল্ডার মুখে বলের আঘাত, আইসিইউতে আম্পায়ার যে ৫ খাবারে কমবে খারাপ কোলেস্টেরল পঞ্চমবারের মতো আইসিসির সেরা ক্রিকেটার ম্যাথিউস হরমুজকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ বলায় ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি নোবিপ্রবিতে সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড দাবি করে ট্রাম্পের মানচিত্র প্রকাশ আটোয়ারী উপজেলার পরিত্যক্ত পুরাতন কৃষি অফিসের জমিসহ স্থাপনা দখলের চেষ্টা ! পুলিশের বাধায় দখল কাজ বন্ধ ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা

নাবিল জাফরকে কী গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন জুনায়েদ জামশেদ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৬১ Time View

বিনোদন ডেস্ক : পাকিস্তানি টেলিভিশন অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক নাবিল জাফরকে সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন সাবেক পপ তারকা জুনায়েদ জামশেদ। সম্প্রতি অভিনেতা নাবিল জাফর একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে তার বিখ্যাত নাটক বুলবুলেসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

‘বুলবুলে’ নাটক প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘বুলবুলে’র সাফল্যে আমাকে একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রখ্যাত ইসলামি শিল্পী ও সাবেক পপ তারকা জুনায়েদ জামশেদ।

নাবিল জাফর বলেন, জুনায়েদ জামশেদ আমাকে বলেছেন, আমার হাতে সময় কম থাকে।তাই আমি নাটক দেখি না, কিন্তু আমার স্ত্রী চায় আমি তার সঙ্গে বসে নাটক দেখি। তাই সুযোগ পেলেই ‘বুলবুলে’ নাটকটি দেখি।

অভিনেতা আরও বলেন, প্রয়াত জুনায়েদ জামশেদ আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে যখন কোনো কিছু জনপ্রিয় হয়, তখন তাতে একটি দলের সবার ভূমিকা থাকে।আপনার দলকে এক রাখবেন কারণ আপনি যখন বিখ্যাত হন, তখন দলের সবাই মনে করে যে এটি আমার কারণেই হয়েছে।

জুনায়েদ জামশেদ বলেছিলেন, আমার উদাহরণ নিন।আমার দলের সবাই ভাবতো আমি না থাকলে তো এমনটি হতো না। সফলতার পেছনে একজন নয়, সব মানুষই পরিশ্রম করে।এই সাফল্য আপনার নয়, পুরো দলের এবং দলকে নিয়েই সাফল্য আসে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়েদেরও বড় হাত থাকে। আমার বাবা অল্প বয়সে মারা যান এবং এই ‘বুলবুলে’ নাটকটি আমার মায়ের দোয়া দিয়ে শুরু হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় পাকিস্তানি পপ তারকা ছিলেন জুনায়েদ জামশেদ। ‘দিল দিল পাকিস্তান’, ‘তুম মিল গায়ি’, ‘সাওয়ালি সালোনি’ কিংবা ‘উহ কৌন থি’ গানগুলো নব্বইয়ের দশকে পাকিস্তানিদের মুখে মুখে ছড়িয়ে ছিল। গায়ক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত ধর্ম-ইসলামের পথে শান্তি খুঁজে নেন জুনায়েদ জামশেদ।

জুনায়েদ জামশেদ ২০০৩ সালের ১৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সঙ্গীতজগতকে বিদায় জানান। এরপরই মিডিয়া ও লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান জুনায়েদ। জড়িয়ে পড়েন তাবলিগ জামাতের সঙ্গেও। তাবলিগের হয়ে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেবার পাশাপাশি তিনি শুরু করেন নাত (নবীর স্তুতিমূলক গান) গাওয়া। ইসলামি সংগীতের মাধ্যমে আবারো জনপ্রিয়তা পান জুনায়েদ জামশেদ। 

তার গাওয়া জনপ্রিয় ইসলামি সংগীতগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘মেরা দিল বাদাল দে, মুহাম্মাদকা রওজা, মে তো উম্মাতি হু আয়ে শাহে উমাম, ‘মেহবুব-এ-ইয়াজদান,বদর-উদ-দুজা, ‘বাদি-উজ-জামান’। ইসলামি সংগীত জগতে ব্যাপক জনপ্রিয় জুনায়েদ জামশেদ ৭ ডিসেম্বর ২০১৬ বিমান দুর্ঘটনায় সস্ত্রীক মৃত্যু বরণ করেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৩০ অক্টোবর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:০৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit